পশ্চিমবঙ্গজঙ্গি হানার ঘটনা নিয়েও তৃণমূল-বিজেপি মুখোমুখি পশ্চিমবঙ্গে

সুব্রত আচার্য

fb tw
somoy
পুলওয়ামার জঙ্গি হানার ঘটনায় নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান দুটো রাজনীতিক শক্তি পরস্পরের মুখোমুখি। তৃণমূল বলছে, এই হামলার পরও কেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন না। অন্যদিকে বিজেপি বলছে, সরকার যখন  কঠোর ভাবে জবাব দিতে প্রস্তুত তখন তৃণমূল বিরোধীতা করছে। তার নিজের রাজ্যে নিরাপত্তা নেই। সোমবার এই ঘটনা নিয়ে দুই দলের প্রধানরা কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন।
 
এদিন বিকালে প্রথম সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূল প্রধান তথা রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি, রাজ্যে অশান্তি ছাড়ানোর পরিকল্পনার পেছনে বিজেপি, আরএসএস এবং বিশ্বহিন্দু পরিষদ ছক কষেছে। এদিন সন্ধ্যায় রাজ্য সরকারের সচিবালয় নবান্নে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মমতা আরো আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, রাজ্যে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টাও করা হচ্ছে। কাউকে কাউকে বোরখা পড়িয়ে কোনও কোনও এলাকায় ঢুকিয়ে দিয়ে ছেলে ধরা বলে গুজব ছাড়ানো হচ্ছে। মমতা বলেন, আমি ডিসি, এসপি, আইসি, ওসিদের নির্দেশ দিচ্ছি কড়া হাতে এই গুজবরটনাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। 
কলকাতায় বসবাসরত কাশ্মীরের একজন চিকিৎসকের বাড়িতে হামলার ঘটনাকে উল্লেখ্য করে মমতা বলেন,  এই কাজ মানা যায় না। আমার কাছেও খবর আছে। কেউ কেউ এই বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে। 
মমতা এদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামার ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, গোটা দেশ যখন একসঙ্গে কাধে-কাধ মিলিয়ে লড়ার জন্য এক তখন বিজেপি রাজনীতি করছে। আসামে অমিত শাহ রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন। তারা কি পুলওয়ামার ঘটনাকেও রাজনীতিতে ব্যবহার করবেন, প্রশ্ন তোলেন মমতা।
 
ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে আগেই খবর ছিল হামলা হতে পারে, তা-সত্বেও এতো সংখ্যক জওয়ানকে একসঙ্গে ৮৭টি কনভয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কেন, এটাও তদন্ত হওয়া উচিৎ। এতো বড় হামলার পরও কেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন না- মমতার মুখে এসব কথাও শোনা গিয়েছে এদিন।
 
যদিও মমতার এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার সন্ধ্যায় বিজেপি রাজ্য দফতরে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা আগে নিজের রাজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। তার রাজ্যেই সন্ত্রাসবাদীরা ঢুকে ভারতে ছড়িয়ে পড়ছে। রাজ্যে মদ খেয়ে মরলে ২ লক্ষ টাকা অনুদান পাওয়া যায় কিন্তু দেশের জন্য মরলে কোনও অনুদান মেলে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই বিভাজনের রাজনীতি করেন। তার মুখে এইসব অভিযোগ মানায় না।
 
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop