ksrm

ভোটের হাওয়াডাকসু নির্বাচন জমে আছে ভোটারদের লাইন

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এবং হল ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। সকাল থেকেই হলগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছে। একই সঙ্গে নানা অনিয়মের অভিযোগও পাওয়া গেছে। অনেক হলের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, ভোট দেয়ার জন্য তাদের হলের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।
সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, সলিমুল্লাহ হলে গেলে অনাবাসিক ছাত্রদের হলে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। বলা হচ্ছে, অনাবাসিকদের ভোট নেই। তাই ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।
বিভিন্ন হলের একাধিক শিক্ষার্থী সময় নিউজের কাছে একই ধরণের অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, দীর্ঘক্ষণ ধরে ভোটের লাইন এগোচ্ছে না।
বেলা ১২টার কিছু পরে জসিম উদ্দিন হলে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন।
ওই হলের শিক্ষার্থী রঞ্জিত ধর বলেন, ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকরা হলের অন্যান্য ভোটারদের ভোট দেয়া ঠেকাতে হলের ভোটারদের লাইনগুলোতে একই শিক্ষার্থীদের বার বার ঘুরিয়ে এনে দাঁড় করাচ্ছেন।
রঞ্জিতের পেছনে দাঁড়ানো এক শিক্ষার্থী জানান, তিনি প্রায় দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু একটুও এগোতে পারেননি।
ভোট দিতে এত দীর্ঘ সময় লাগা নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন অনেক ভোটার। অনেকে আবার লাইনের মাঝখানে বসে পড়েছেন।
জগন্নাথ হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। যেখানে ছিলাম সেখানেই আছি। আর কত! তাই বসে পড়লাম। দেখি কতক্ষণে ভোট দিতে পারি।
এদিকে নির্বাচন নিয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর রয়েছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। ছাত্রলীগের ভিপি প্রার্থী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে এবং তারা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। অন্যদিকে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে নিজের ভোট না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, আমি জয়ের ব্যাপারে খুবই আশাবাদী। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের সংগঠন মনে করে। দশরত্ন শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়ে শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগকে তাদের ভোট প্রদান করবে।
এদিকে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রতিটি হলেই ভোট ডাকাতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইতোমধ্যেই কুয়েত মৈত্রী হলে এ ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আমরা জগন্নাথ হলসহ আরো বেশ কিছু হলে গতরাতেই এ ধরণের ঘটনার অভিযোগ পেয়েছি।
ভিপি পদে ২১, জিএস পদে ১৪ এবং এজিএস পদে লড়ছেন ১৩ জন প্রার্থী। অন্যদিকে নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪৩ হাজার ২৫৫ জন। কড়া নিরাপত্তা রয়েছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা হবে ওএমআর মেশিনে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop