ভোটের হাওয়ানরসিংদীর ৩ উপজেলায় আ’লীগ ও ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
নরসিংদীর ছয়টি উপজেলার মধ্যে তৃতীয় ধাপে চারটি উপজেলা পরিষদ রায়পুরা, বেলাব, শিবপুর ও মনোহরদীর নির্বাচন রবিবার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে তিনটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। অপর একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
 বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন-
বেলাব উপজেলায় নৌকা প্রতীকে ৪৪ হাজার ৫ শত ১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আ’লীগের সমশের জামান ভূঁইয়া রিটন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) আনারস প্রতীকের আমানুল্লাহ পেয়েছেন ১৮ হাজার ৬২৯ ভোট। এছাড়া চশমা প্রতীকে ২২ হাজার ৪ শত ৮০ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন মো. মনিরুজ্জামান জাহাঙ্গীর ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়েছেন শারমীন আক্তার খালেদা প্রজাপতি প্রতীকে ২১ হাজার ২ শত ভোটে।
শিবপুর উপজেলায় নৌকা প্রতীকের হারুন অর রশিদ খান ৫১ হাজার ১ শত ৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) আরিফুল ইসলাম মৃধা দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৯০ ভোট।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে চশমা প্রতীকে শরীফ সারোয়ার জুয়েল ২৪ হাজার ৬৮৩  ভোট ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাপসী রাবেয়া ফুটবল প্রতীকে ২৬ হাজার ৩১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
মনোহরদী উপজেলায় নৌকা প্রতীকে ৩৩ হাজার  ৯২৭  ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সাইফুল ইসলাম খান বীরু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) টেলিফোন প্রতীকে হাবিবুর রহমান রঙ্গু পেয়েছেন ১৪ হাজার ৫৫৬ ভোট।  
ভাইস চেয়ারম্যান পদে এইচ এম ইকবাল আহমেদ তালা প্রতীকে  ৩৮ হাজার ৭১৬ ভোট ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে আফরোজা সুলতানা প্রজাপতি প্রতীকে ৩৬ হাজার ৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
রায়পুরা উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সাদেক আনারস প্রতীকে ৬০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আ’লীগের মিজানুর রহমান চৌধুরী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৩৭  ভোট।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোমেন মিয়া চশমা প্রতীকে ৪৯ হাজার ৪৬ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাহমিনা মানিক হাঁস প্রতিকে ৪৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  
রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হলেও চার উপজেলায়ই তুলনামূলকভাবে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। চার উপজেলায় মোট ৪১২টি ভোট কেন্দ্রের ১ হাজার ৮ শত ৮০টি ভোট কক্ষে ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ১১ প্লাটুন বিজিবি ছাড়াও প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে র‌্যাবের মোবাইল টিম ও পুলিশসহ বিপুল সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop