পশ্চিমবঙ্গ১০ আসনেই হারবে বিজেপি, সূর্য ডুবছে তৃণমূলের!

কলকাতা অফিস

fb tw
somoy
ভারতের অন্য রাজ্যগুলোর মতো লোকসভা নির্বাচনের তিন দফা ভোট হয়েছে বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও। ৪২ আসনের মধ্যে তিন দফায় ভোট নেওয়া হয় ১০টি আসনে। তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করেছে, দশটি আসনেই বিজেপি হারবে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, তৃণমূলের সূর্য ডুবতে শুরু করেছে।
২০১৪ সালে নির্বাচনের দশটির মধ্যে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, বালুরঘাট চার আসন ছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের। বাকি দার্জিলিং একটি আসন ছিল কেন্দ্রের শাসক বিজেপির। বাকি পাচঁটি আসনের মধ্যে মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ এবং জঙ্গীপুর তিনটি কংগ্রেসের এবং রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসন ছিল বামফ্রন্টের।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) নদীয়ার নির্বাচনী সভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তিন দফার নির্বাচনে বাংলার মানুষ বিজেপিকে গোল্লা দিয়েছে।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার রাজ্যে তৃতীয় দফার ভোটের প্রচারে এসে বিজেপি নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, তিন দফার যে আসনগুলোতে ভোট হয়েছে সেখানে দিদির সূর্য ডুবতে চলেছে। যদিও বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস এই আসন পাওয়া না পাওয়া নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তরের জেলাগুলোতে কংগ্রেসেরই বেশি প্রভাব দেখা গেছে অতীতে। বামফ্রন্টও সেখানে শক্তিশালী। মালদা দক্ষিণ আসন কংগ্রেসের ডালু খান চৌধুরী তিনি গণি খান চৌধুরীর ভাই। ফলে তার জেতা সেখানে নিশ্চিত। মালদার উত্তরে কংগ্রস থেকে তৃণমূলে আসা মৌসুম বেনজির নূর। তিনিও গণি খানেরই ভাগ্নি। দল বদল করে কিছুটা ব্যাকফুটে মৌসুম। 
দার্জিলিং আসনের বিজেপি শক্ত ঘাটি রয়েছে। মোর্চার দুই পক্ষ তলে দলে বিজেপিকে অক্সিজেন দিয়েছে। এমন কি সাধারণ মানুষও বিজেপির দিকে ঝুঁকে রয়েছেন। কেননা বিজেপির প্রার্থী রাজু বাস্ত পাহাড়ের সন্তান। অন্যদিকে বামফ্রন্টের সমন পাঠকও যথেষ্ট শক্তিশালী। সেখানে তৃণমূলের বেশি সুবিধা পাওয়ার সুযোগ নেই।
কোচবিহারের নীশিথ প্রামাণিকের সঙ্গে লড়াই হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী প্রাক্তন বামফ্রন্টের মন্ত্রী পরেশ অধিকারি। শক্তিশালী তিনিও। লড়াই সেখানে দুই মুখী।
রায়গঞ্জের আসনটি বামফ্রন্টের সেটা তৃণমূল কংগ্রেসও জানে। বালুরঘাটের তৃণমূলের বর্তমান সাংসদ নাট্যকার অর্পিতা ঘোষকে নিয়ে সেখানে যথেষ্ট ক্ষোভ ছিল ভোটারদের মধ্যে। এমন কি তাকে প্রার্থী করায় তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতারা বিদ্রোহ করেছিলেন। তাই সেখানে তার আসনটাও কিছুটা হলেও নড়বড়ে এবার।
জঙ্গিপুর কংগ্রেসের ঘাঁটি। সেখানে আছেন প্রণব পুত্র অভিজিৎ মুখার্জি। তবে এবার বিজেপির সংখ্যালঘু মাহফুজা খাতুন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেছেন। এই আসনে বিজেপির দিকেও যেতে পারে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। 
আলিপুরদুয়ার আসনের তৃণমূলের প্রার্থীর সঙ্গে টক্কর দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থীও। সেখানে আসন পাওয়াটা ফিফটি ফিফটি সম্ভাবনা দু-পক্ষেরই।
মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসের ঘাঁটি হলেও এই আসনটি বামফ্রন্টে বদরুদ্দোজা খান ছিনিয়ে নিয়েছিলেন ২০১৪ সালে। কিন্তু এবার সেখানে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে ভোট কাটাকাটির রাজনীতির শিকার হতে পারেন তিনি। ফলে বামফ্রন্টের এই আসনটি হাত ছাড়া হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল এখানে অ্যাডভান্টেজ পজিশনে রয়েছে।
জলপাইগুড়ি আসনেও তৃণমূল এগিয়ে আছে এবারও।  
তৃণমূল বা বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব নিজেরা যতই আসন পাওয়ার ব্যাপারে চ্যালেঞ্জ পাল্টা চ্যালেঞ্জ দিন না কেন, ২৩ মে  এর আগে কিন্তু কিছুই বলা সম্ভব নয়। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop