ksrm

বাংলার সময়ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি ‘আইলা’য় ক্ষতিগ্রস্তরা

মো. তরিকুল ইসলাম

fb tw gp
২০০৯ সালের ২৫ মে দেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় 'আইলা'। ব্যাপক ক্ষতি হয় বাঁধ, বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাট। এর প্রভাবে দীর্ঘ চারবছর খুলনার দাকোপ ও কয়রা উপজেলার চার ইউনিয়নের মানুষ ছিলেন পানিবন্দি। বাসিন্দারা বলছেন, আইলাপরবর্তী কৃষিতে যে ক্ষতি হয়েছিল সে অবস্থা থেকে আজও ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি তারা।
ঘূর্ণিঝড় আইলা পরবর্তী পার হয়েছে এক দশক। কিন্তু এর ক্ষতির চিহ্ন এখনও রয়ে গেছে খুলনার উপকূলীয় উপজেলা দাকোপ ও কয়রার পরিবেশ ও প্রতিবেশের ওপর।
প্রকৃতি যেন ঠিক মতো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছেনা এখানে। আইলার পর দীর্ঘ মেয়াদী জলাবদ্ধতার বিরূপ প্রভাবে কৃষি জমিও যেন কৃষকের পরিশ্রমের মূল্য দিতে পারছে না শস্যপূর্ণ করে। সংকুচিত হয়েছে এখানকার কর্মসংস্থানও। যে কারণে নিজ এলাকা ছেড়ে কাজের সন্ধানে এখানকার মানুষ ছুটছেন দূর দূরান্তে। এছাড়া নাজুক বেড়িবাঁধ ও অপর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার নিয়েও এসব প্রান্তিক মানুষের রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।
স্থানীয় এক নারী বলেন, আইলার মতো ঝড় হলে তো যাওয়ার জায়গা নেই। সাইক্লোন সেন্টারে ওখানকার লোকজনেরই জায়গা হয় না। তাহলে আমরা কোথায় গিয়ে আশ্রয় নিবো।
এক কৃষক বলেন, আইলার পর আমাদের অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। আমরা কৃষকরা একেবারেই সুবিধা পাইনি। বেকার বসে থাকতে হয়। কেউ কেউ বাইরে কাজকর্ম করতে যায়। কেউ কেউ সেটাও পারছে না। কিন্তু, এলাকায় কোনো কাজকর্ম নাই।
এ অবস্থায় বিশিষ্টজনরা আইলা দুর্গত এলাকার মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে অংশদারীত্বমূলক পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
নাগরিক নেতা অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বলেন, সারা বাংলাদেশের জন্য প্যাকেজ না নিয়ে আমরা যদি এই দক্ষিণাঞ্চলের আইলা বিধ্বস্ত এলাকার জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করি তাহলে হয়তো আমরা দেখতে পারবো যে, ওই অঞ্চলের মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত দশ বছরে খুলনা উপকূলের মানুষের জীবন মান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও প্রণোদনা মূলক কার্যক্রম চলমান আছে।
খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, কৃষি ঋণ আরো তরান্বিত করা হয়েছে। কৃষি উন্নয়নের জন্য যে সমস্ত প্রকল্প নেয়া দরকার, সরকার নিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল খাবার পানির ব্যবস্থা। বিভিন্ন এনজিওসহ সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
খুলনার উপকূলীয় এলাকায় ৬ লাখেরও বেশী মানুষ বসবাস করে। যার ৭০ ভাগের ও বেশী মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
GoTop