ksrm

মহানগর সময়সরবরাহের ধীরগতি, সমস্যায় পড়তে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর

কমল দে

fb tw
ঈদের টানা বন্ধে সরবরাহের ধীরগতির কারণে নানামুখী সমস্যায় পড়তে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার কন্টেইনার জাহাজ থেকে খালাস হলেও সে তুলনায় সরবরাহ হচ্ছে মাত্র সাড়ে ৩শ' থেকে ৪শ' কন্টেইনার। এ অবস্থায় কন্টেইনার জটের আশঙ্কায় এ প্রক্রিয়ায় গতি আনার জন্য স্টেক হোল্ডারদের সহযোগিতা চেয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। 
দেশের প্রধানতম এ সমুদ্রবন্দরের সাথে কাস্টম, সিএনএফ, পরিবহনসহ অন্তত ১৭ টি প্রতিষ্ঠান সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে। বন্ধের দিন বন্দর পুরোদমে চালু থাকলেও এসব প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা না করলে এ চালু রাখা কোনো কাজে আসে না। 
বন্দরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৮ জুন) সরকারি বন্ধের দিনেও চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান জেটিতে ৮টি জাহাজ বার্থিং নেয়। আর এসব জাহাজ থেকে খালাস হয়েছে অন্তত সাড়ে আট হাজার কন্টেইনার। কিন্তু তার বিপরীতে একই দিনে ডেলিভারি হয়েছে মাত্র সাড়ে তিনশ কন্টেইনার। ৩১ মে সরকারি বন্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ডেলিভারির ধীরগতির কারণে প্রতিদিন এভাবে বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে কন্টেইনারের স্তুপ জমছে।  
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, আশা করছি আমরা কন্টেইনার রাখতে তেমন সমস্যার মধ্যে পড়বো না। তরপরও আমরা সব স্টেক হোল্ডারদের বলছি যাতে তারা দ্রুত মালামাল ডেলিভারি নেয়।
বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে ৪০ হাজারের বেশি কন্টেইনার রয়েছে। এর মধ্যে ডেলিভারীর অপেক্ষায় পণ্য ভর্তি ৩৫ হাজার কন্টেইনার যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে ৩ হাজারের বেশি খালি কন্টেইনার। ব্যবসায়ীদের শংকা, দু’একদিনের মধ্যে ডেলিভারি প্রক্রিয়া শুরু হলেই তাদের নানামুখী সমস্যায় পড়তে হবে তাদের। 
শিপিং এজেন্ট এসোসিয়েশন বাংলাদেশ-এর পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, একসাথে সব পণ্যের যখন ডেলিভারি শুরু হবে সে সময় চাহিদা অনুযায়ী গাড়ি কম থাকাতে একটা চাপ তৈরি হবে। সে চাপ সামাল দেয়াটা বন্দরের জন্য অনেকটা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বিকল্প হিসাবে সহযোগিতার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিলো ১৭টি প্রাইভেট আইসিডি। যেখানে অন্তত ৩৪ রকমের পণ্য খালাস করা হয়। কিন্তু ঈদের ৮ দিনের সরকারি বন্ধে এসব প্রাইভেট আইসিডিতে তেমন কাজ হয়নি। যে কারণে আইসিডিগামী কন্টেইনারগুলোও বন্দরের ইয়ার্ডে পড়ে আছে।  
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স-এর পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ বলেন, ডেলিভারির ধীরগতির কারণে বন্দরে মালামাল জমে যাচ্ছে। কাজের দীর্ঘসূত্রিতা হচ্ছে। জাহাজগুলো এন্ট্রি পাচ্ছে না, বার্থিং পাচ্ছে না। এর কারণ হলো, ছুটির সময় সবাই চলে যাচ্ছে, আমরা ইচ্ছা করলেও অনেক সময় লোক রাখতে পারছি না।  
এর আগে গত ২ মে থেকে ৪ মে পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় বন্দরের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। গত এক মাসেও সেই বন্ধের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি বন্দর কর্তৃপক্ষ। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop