পশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা রুখতে সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক রাজ্যপালের

সুব্রত আচার্য

fb tw
somoy
ক্রমাগত রাজনৈতিক অস্থিরতা ছাড়িয়ে পড়ায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক ডাকলেন রাজ্যটির রাজপাল কেশরী নাথ ত্রিপাঠি। 
লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্য জুড়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তি তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টির স্থানীয় নেতা-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করেই বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকাল ৪টায় ওই বৈঠকে রাজ্যের সব দল যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে।
এর আগে বুধবার (১২ জুন) দুপুরে ভারতীয় জনতা পার্টির কলকাতার পুলিশ সদর দফতর লালবাজার ঘেরাও অভিযান ঘিরে তুলকালাম কাণ্ড বেধে যায়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্য রাজ্য সরকারের পুলিশ প্রশাসনকে দায়ী করে এদিন লালবাজারের অভিযান শুরু করে বিজেপি। কিন্তু পথেই তাদের বাধার মুখে পড়তে হয়। 
কলকাতার প্রাণ কেন্দ্র সেন্ট্রাল এভিনিউসহ উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায় এই আন্দোলনের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে।
পুলিশ বিজেপি সমর্থকদের ওপর ঢালাও লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস এবং জল কামান ব্যবহার করে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে দেখে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব তাদের নির্ধারিত কর্মসূচি প্রত্যহার করে নেন।  
পরে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিশ বিনা কারণে শান্তিপূর্ণ একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের লাঠি ও টিয়ার গ্যাস মেরেছে। এমন কি জল কামানও ব্যবহার করেছে। পুলিশ প্রশাসন এতোটাই ভীত হয়ে পড়েছে যে একটি আন্দোলনকে তারা ভয় পেয়ে গিয়ে অগণতান্ত্রিক কাজ করেছে।
গোটা ঘটনায় তিনি মমতা ব্যানার্জি এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করে আরো বৃহত্তম আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেন। একইভাবে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ও মমতা ব্যানার্জি ও তার ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জির সমালোচনা করেন। বলেন, পুলিশ প্রশাসন ছাড়াও তৃণমূল নেতারা বাইরে পর্যন্ত বের হতে পারবেন না। জনগণ থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
যদিও তৃণমূল নেতা অভিষেক ব্যানার্জি আইনশৃঙ্খলা অবনতির জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, রাজ্যের মানুষ ওদের সঙ্গে নেই। অন্য রাজ্য থেকে মানুষ এনে ওরা বাংলাকে অশান্ত করছে। কিন্তু বাংলার মানুষ সব দেখছেন। লালবাজার অভিযানে বিজেপি ধংসাত্বক আচরণ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা।  
২৩ মে ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে চরম রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। রাজ্যটির জেলায় জেলায় প্রধান দুই দলের মধ্যে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। প্রতিদিন প্রাণহানীর ঘটনা ঘটছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। 
ভোটের ফল প্রকাশের পর এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ২০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop