সিটি নির্বাচনচসিক নির্বাচন প্রচারণা শুরুর আগেই ৮ অভিযোগ কমিশনে

কমল দে

fb tw
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু না হলেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। প্রতিদিনই আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জানাচ্ছে উভয় পক্ষ। এ কয়েকদিনে অন্তত ৮টি অভিযোগ জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে।
তবে রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন, সবগুলো অভিযোগ গুরুত্বের সাথে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
২৮ এপ্রিল ভোট গ্রহণের তারিখ হিসেবে আইন অনুযায়ী ২১ দিন আগে অর্থাৎ ৮ এপ্রিল থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। কিন্তু প্রচারণা শুরু না হলেও শুরু হয়ে গেছে নির্বাচন কমিশনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ জানানো। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে ৫টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মঞ্জুর আলমের চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলন। এর মধ্যে সবশেষ বুধবার দেয়া একটি অভিযোগে নগরীর হোটেল পেনিনসুলায় তিনজন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে নাছিরের পক্ষে সভা আয়োজনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'তিনজন মন্ত্রীসহ ১৪ দলের অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ, এমপি মহোদয়গন এবং সরকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে একসাথে যেই মিটিংটি করেছে এটি আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আচরণবিধির লঙ্ঘন। '
আর চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট এস ইউ এম নুরুল ইসলাম বলেন, 'যেই এলাকায় নির্বাচন ঘোষণা করা হয়, সেই এলাকায় মন্ত্রীরা হাজির হন না। এটি আইনে নিষেধ আছে কিন্তু তারা সেটি তোয়াক্কা করেননি। '
অপরদিকে আ জ ম নাছির সমর্থিত চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটির নেতারা বলছেন, প্রথম থেকেই মঞ্জুর আলম নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে আসছেন। তাদের দাবি, হোটেল পেনিনসুলার বৈঠক ছিলো দলীয় কর্মী সম্মেলন।  
চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসাহাক মিয়া বলেন, 'তার নির্বাচনী অফিসের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগ দিয়েছি। আর, পদত্যাগের পূর্বেই তিনি প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। '
আর চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটির কো চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নইমুদ্দিন বলেন, 'রমজান আসছে। কিভাবে জিনিসপত্রের দাম ঠিক থাকবে সেই বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আর নির্বাচন নিয়ে যদি আলোচনা করতেই হয় তবে আমরা ৯ তারিখের পর করবো। '
তবে উভয় পক্ষের দেয়া অভিযোগ গুরুত্বের সাথেই নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে সবগুলো অভিযোগেরই তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আবদুল বাতেন।
তিনি আরো বলেন, 'আমরা অবশ্যই প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করবো। যদি তদন্তে দেখি এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে তবে আমাদের ব্যবস্থা নেয়ার থাকলে আমরা নেবো। যদি অন্য কোনো অথরিটির ব্যবস্থা নেয়ার থাকে তবে তাদেরকে বলবো ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অথবা নির্বাচন কমিশনকে আমরা রিপোর্ট করবো। '
এদিকে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দিন, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মঞ্জুর আলম এবং জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী সোলায়মান আলম শেঠকে রোববার শোকজ করে নির্বাচন কমিশন। ৭ দিনের মধ্যে তাদের শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop