বিনোদনের সময়হৃদয়জুড়ে শুধু বাবা-মা

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়, সালাম সালাম হাজার সালাম, জয় বাংলা বাংলার জয়- এরকম অসংখ্য জনপ্রিয় গানের গীতিকার প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার। যার গান শুনে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রাণ ফিরে পেয়েছিল।
 
প্রয়াত আব্দুল জব্বার এবং হালিমা জব্বারের তিন সন্তান, মিথুন, জেসমিন এবং বাবু। এর মধ্যে মিথুন জব্বার একমাত্র কণ্ঠশিল্পী। তার বাবার ইচ্ছে ছিল পরিবারের একজন তার মত শিল্পী হবে এবং গানের মাধ্যমে দেশের কথা বলবে। মিথুন জব্বার অনেক বছর দেশের বাইরে ছিলেন এবং দেশে ফিরে প্রতিনিয়ত গানের চর্চা করে চলছেন। মিথুন জব্বার দুই বছরের মধ্যে বাবা এবং মাকে হারিয়েছেন। মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার ২০১৭ সালের ৩০ শে আগস্ট এবং মা হালিমা জব্বার ৩০ শে মে ২০১৯ সালে পরলোকগমন করেন।
 
শিল্পী মিথুন বাবা-মার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমার কখনও মনে হয় না আমার বাবা-মা না ফেরার দেশে চলে গেছেন। মনে হয় তারা আবার ফিরে আসবেন। বাবা চলে যাওয়ার পর মাকে এত তাড়াতাড়ি হারাবো ভাবতেও পারিনি। মা-বাবার মধ্যে ছিল এক আত্মার সম্পর্ক কেননা, বাবা চলে যাওয়ার পর মাত্র ১৮ মাসের কম সময়ের মধ্যে মা ও চলে গেলেন। বাবার মত আমার মাও ছিলেন একজন মহীয়সী নারী। আমার মা হালিমা জব্বার ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা, গীতিকার, পাবলিশড রাইটার এবং সর্বোপরি তিনি ছিলেন একজন সার্থক মা। আমার মা খুব ভালো রান্না করতেন। বাবা মা একে অপরের জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। একজন অন্য একজনকে উৎসাহ দিতেন কাজে। বাবা মাকে বিয়ে করার সময় মার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। ৬০ বছরের বন্ধুত্বপূর্ণ সংসারে মা ছিলেন সৃজনশীল সহধর্মিণী।'
 
শিল্পী মোঃ আব্দুল জব্বার এর সঙ্গে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ছিল এক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। জয় বাংলা বাংলার জয় সহ দেশমাতৃকার মতো বহু গানে তারা একসাথে কাজ করেছেন। শিল্পী মিথুন জব্বার বলেন, 'আমি যখন গাজী আঙ্কেলের সাথে গান করি তখন আমার মনে হয় বাবা আমার পাশে বসে আছেন। সমসাময়িককালে আমি গাজী আঙ্কেলের কাছে অনুপ্রেরণা পাই নতুন কিছু সৃষ্টি করার। পুরনো দিনের গানের সাবলীল ও সৃজনশীল সুর ও গানের মর্ম করার মত এখনকার গানে আর পাওয়া যায় না। বাবা চলে যাওয়ার পর যখন আমার মধ্যে শোকের জীবন অতিবাহিত হচ্ছিল ঠিক তখন ঐ কাজী মাজহারুল আনোয়ারের চ্যানেল আইতে প্রচারিত তার অনুষ্ঠানে আমাকে ডাকেন। যখন তিনি আমার গান শুনেন তখন বলেন, আমার মাঝে জব্বার কে দেখতে পান। গাজী মাজহারুল আনোয়ার যখন আমাকে তার বাসায় ডাকেন তখন আমার মাঝে একটা ভয় কাজ করছিল। তাদের জ্ঞান সমুদ্র বিশাল আর আমি ছিলাম ক্ষুদ্র নদী। আমি আমার বাবা-মার কাছ থেকে শিখেছি যে মানুষের কর্মই তার জীবনকে বাঁচিয়ে রাখে। আমার বাবা শিল্পী আব্দুল জব্বার সারা জীবন দেশের জন্য গান করেছেন এবং দেশের মানুষের হৃদয়ের কথা গানের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। আমিও চাই আমার বাবার দেখানো আলোর পথে নিজেকে দেশের ও দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করতে। আমি প্রকাশনার জন্য আমার প্রিয় পিতার কাজ সব অনুসন্ধান এবং সংগ্রহ করছি যেনো পরবর্তী প্রজন্ম তার কাজগুলো উপলব্ধি করতে পারে এবং সঠিক তথ্য পেতে পারে। যেহেতু আমি আমার বাবার সমস্ত গানের সত্ত্বাধিকারী। এখন আমার জীবনের একমাত্র পেশা এবং নেশা হলো গান।'

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop