মহানগর সময়উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সামাজিক অপরাধ

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সহিংস সামাজিক অপরাধ। এসব ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে হত্যা কিংবা হত্যাচেষ্টায় ব্যবহার হচ্ছে কেরোসিন কিংবা দেশীয় অস্ত্র। সমাজ বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যাওয়ার পেছনে দায়ী বিচারহীনতার সংস্কৃতি। এক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে দ্রুত রায় কার্যকর করে দৃষ্টান্ত স্থাপনের তাগিদ তাদের। আর পুলিশ বলছে, অপরাধেরও এক ধরনের প্রবণতা রয়েছে। সেই ধারা থেকেই অপরাধীরা বেছে নিচ্ছে কেরোসিনের মতো সহজলোভ্য জ্বালানি পণ্যকে।
মানুষের দৈনন্দিন পণ্যের মধ্যে কেরোসিনও অন্যতম এক অনুষঙ্গ। নানা গৃহস্থালি কাজে রয়েছে এর ব্যবহার। কিন্তু সম্প্রতি এই জ্বালানিপণ্যটিই হয়ে উঠেছে ভয়ঙ্কর অস্ত্র। দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা নুসরাত রাফি হত্যায় ব্যবহার হয়েছে কেরোসিন। জমিজমার বিরোধে নরসিংদীর ফুলণ বর্মণকেও হত্যা করা হয়েছে কেরোসিন ঢলে আগুন লাগিয়ে। চট্টগামে এক শিক্ষককে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে একজন। এছাড়া গেলো কয়েকদিনে গৃহবধূ আরো বেশ কয়েকজনকে হত্যা কিংবা হত্যাচেষ্টায় কেরোসিন ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই অবস্থার জন্য একদিনে বিচারের দীর্ঘসূত্রতাকে দায়ী করছেন সমাজ বিশ্লেষকরা। আবার সমাধানের পথও বলছেন তারা।
সমাজ বিজ্ঞানী ড. সামিন লুৎফা বলেন, 'বিচারহীনতার সংস্কৃতি, ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করার জন্য নারী উপর হামলা হচ্ছে। যদি আপনি নারীকে ভয় দেখিয়ে দিতে পারেন। সেই সাথে পুরো সমাজকে ভয় দেখিয়ে দিতে পারবেন।'  
সমাজ বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাসুদুজ্জামান বলেন, 'তাৎক্ষণিভাবে বিচারের ব্যবস্থা করা উচিত। যে মুহূর্তে ঘটনা ঘটেছে, সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানো তারা এসে অপরাধীকে ধরবে। সেই সাথে সাময়িকের জন্য শাস্তির প্রদান করা। সেই সাথে পরবর্তীতে বিচার কাজও চলতে থাকলো। এইভাবে একটা আইন করা প্রয়োজন।'
এদিকে পুলিশ বলছে, তাদের অভিজ্ঞতা বলে এক জায়গায় কোন নির্দিষ্ট একটি পদ্ধতিতে অপরাধ হলে অন্য অপরাধীদের মধ্যেই সেই একই কায়দায় অপরাধ করার প্রবণতা দেখা যায়।
পুলিশ সদর দফতরের এআইজি মিডিয়া মো. সোহেল রানা বলেন, 'তরুণ অপরাধী যারা, তারা অপরাধের নতুন ফ্যাশন খুঁজতে পছন্দ করছে। সেই সাথে নতুন অপরাধ করার ক্ষেত্রে সেনসেশনাল বিষয়কে প্রাধান্য দিচ্ছে।'
এসিড সন্ত্রাসের মতো কেরোসিন সন্ত্রাসকেও কার্যকরভাবে দমন করা হবে জানান পুলিশ কর্মকর্তারা। বন্দর সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি রাস্তাঘাট সংস্কার করা না হলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে না বন্দরটি।
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop