আন্তর্জাতিক সময়তেহরান-ওয়াশিংটনের সম্পর্ক এখন সবচেয়ে খারাপ

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
ইরান আবারো উচ্চ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরুর পর থেকে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্ক এখন যে কোন সময়ের চেয়ে খারাপ অবস্থানে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের দাবী পরমাণু বোমা বানানোর জন্যই আবারও বেশী মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। তবে অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মত, তেহরান পরমাণু বোমা বানানোর সক্ষমতা থেকে এখনো অনেক দূরে। যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের চাপে রাখতেই তেহরান এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
 ত্রুটিপূর্ণ আখ্যা দিয়ে ২০১৮ সালের ৮ই মে ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের ওপর আরোপ করেন নতুন নিষেধাজ্ঞা। এর ঠিক এক বছরের মাথায় চলতি বছরের ৮ই মে চুক্তি থেকে আংশিক বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। সেইসঙ্গে মার্কিন অবরোধ শীথিল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইউরোপকে দুই মাসের সময় বেঁধে দেয় তেহরান।
 
কিন্তু তা করতে ব্যর্থ হলে গত সোমবার ৩ দশমিক ৬৭ থেকে থেকে উচ্চ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায় যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরাইল। দুই দেশেরই শীর্ষ নেতাদের দাবী, একমাত্র পরমাণু অস্ত্র বানানোর জন্যই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান।
 
তবে পরমাণু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেহরান ৫ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করলেও তা দিয়ে পরমাণু অস্ত্র বানানো সম্ভব নয়। কারণ পরমাণু অস্ত্র বানাতে ইউরেনিয়াম কমপক্ষে ৯০ মাত্রায় সমৃদ্ধ করতে হয়।
 
ইরান খুবই কম মাত্রায় পরমাণু সমৃদ্ধ করছিল। সম্প্রতি তারা যে ঘোষণা দিয়েছে, তাও খুব কম। এর মাধ্যমে পরিষ্কার বোঝা যায়, বোমা বানানোর কোন ইচ্ছে নেই তাদের। কারণ তারা যদিও পরমাণু শক্তি বিধ্বংসী কাজে ব্যবহার করতো তাহলে এর সমৃদ্ধকরণের মাত্রা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিত এবং ধরণও হতো ভিন্ন রকম।
 
অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোকে চাপে ফেলতেই বেশী মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মতো কৌশল নিয়েছে ইরান। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের হাতিয়ার হিসেবে তেহরান ব্যবহার করতে পারে বলেও মত তাদের।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক দোরোথি পারভাজ বলেন, ইরানের এ পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল একটা হুমকি হিসেবে দেখবে, এটাই স্বাভাবিক। তারা চাইবে যেকোন মূল্যে ইরানকে বেশী মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ থেকে বিরত রাখতে। আর এই সুযোগটিই গ্রহণ করবে তেহরান। 
আবার অনেক বিশেষজ্ঞের মত, যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের হুমকি এবং নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতেই পরমাণু কর্মকাণ্ড বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান।
পাল্টা-পাল্টি হুমকি আর কথার যুদ্ধ অব্যাহত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সম্মুখযুদ্ধের আশঙ্কা একেবারেই ক্ষীণ বলেও মত দেন বিশেষজ্ঞরা। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop