খেলার সময়দ্বিতীয় দিন শেষে ৩৮৬ রানে এগিয়ে মুমিনুল-আরিফুলরা

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
বিসিবি একাদশের প্রথম ইনিংসে করা ৫০০ রানের জবাবে স্কোরবোর্ডে ১ উইকেটে ১১৪ রান জমা করে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। সফরকারী বোলাদের মধ্যে দলকে একমাত্র সাফল্য এনে দিয়েছেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
টাইগারের ইনিংসের জবাবে ব্যাট করতে নেমে বিদর্ভকে শুভ সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার অক্ষয় ও সঞ্জয়। শুরু থেকেই রান তুলতে থাকেন দুই ওপেনার। দুজনের  দাপুটে ব্যাটিংয়ের সামনে উইকেটবিহীন থাকতে হয় তাসকিন, এবাদতদের। দিনের খেলা শেষ হওয়ার এক ওভার আগে প্রতিপক্ষের ইনিংসে আঘাত হানেন তাইজুল। ৪৯ রান করা সঞ্জয়কে সোহানের হাতে স্টাম্পিংয়ের শিকার বানিয়ে সাজঘরে ফেরান তিনি। সঞ্জয় আউট হলেও ৬২ রানে অপরাজিত থেকে দিনের খেলা শেষ করেন অক্ষয়।
অন্যদিকে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তাইজুল ছাড়া কাজের কাজ করতে পারেননি আর কেউই। তাসকিন ও এবাদত বল করে থেকেছেন উইকেট শূন্য। নাঈম ও আরিফুলও হেঁটেছেন একই পথে।
এর আগে মুমিনুল ও শান্ত’র শতকে স্কোরবোর্ডে ৭ উইকেটে ৫০০ রান যোগ করে ইনিংস ঘোষণা করে সফরকারী বিসিবি একাদশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৬৯ রানের ইনিংস এসেছে অধিনায়ক মুমিনুল হকের ব্যাট থেকে। তাছাড়া শতক হাঁকানো আরেক ব্যাটসম্যান শান্ত খেলেছেন ১১৮ রানের অনবদ্য ইনিংস। জহুরুলের ৯৬ রানের ইনিংসের পাশাপাশি আরিফুলের ব্যাট থেকে আসে মূল্যবান ৭৭ রান।
প্রথম দিনের ২ উইকেটে করা ৩০৩ রানের সাথে দ্বিতীয় দিনে ৪ আরও ১৯৭ রান যোগ করে ইনিংস ঘোষণা করে বিসিবি একাদশ। ডাবল সেঞ্চুরির হাতছানি নিয়ে খেলতে নামা মুমিনুলের স্বপ্নভঙ্গ হয় ইনিংসের ১০০তম ওভারে। দর্শন নালকান্দের বলে অক্ষয় ওয়াদকারের হাতে ক্যাচ দিলে থামে তার ইনিংস। দলীয় ৩৩৯ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে সফরকারীদের। আউটের আগে ১৬৯ রানের ইনিংসটি ২২ চার ও ১ ছক্কায় সাজান তিনি তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন ইয়াসির আলি রাব্বি। তবে বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি তিনি। ৫ বল মোকাবেলায় ২ চারে ৮ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন তিনিও। তাকেও ফেরান নালকান্দে। এর ফলে দলীয় ৩৪৭ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বিসিবি একাদশ।
এর কিছুক্ষণ পর একই পরিণতি হয় নুরুল হাসান সোহানের। ১০ বলে ২ রান করে আদিত্যর বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন তিনি। মুহূর্তেই ৩৫৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বিসিবি একাদশ। এমন পরিস্থিতিতে শান্ত’র সাথে ক্রিজে যোগ দেন আরিফুল। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ১২৬ রান যোগ করে বিপর্যয় সামাল দেন এ দু’জন। একইসাথে নিশ্চিত করেন দলের বড় সংগ্রহ দাঁড় করানোর পথ গড়ার। শান্ত ১৪ চার ও ২ ছক্কায় ব্যক্তিগত ১১৮ রানে নালকান্দের বলে আউট হলে ভাঙ্গে এ জুটি। শান্ত’র আউটের পর বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি আরিফুল। সমান ৫ চার ও ছক্কায় ৭৭ রান করা এ ব্যাটসম্যানকে আউট করেন গুরবানি। তার ফিরে যাওয়ার পর স্কোরবোর্ডে ৫০০ রান যোগ হতেই ইনিংস ঘোষণা করে চা পানের বিরতিতে যায় সফরকারীরা। প্রতিপক্ষ শিবিরের বোলারদের মধ্যে ৭৯ রান খরচায় নালকান্দে লাভ করেন সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড-
দ্বিতীয় দিন শেষে বিসিবি একাদশ: প্রথম ইনিংসে ১৪৮ ওভারে ৫০০/৭ ডিক্লেয়ার্ড।
জহুরুল ৯৬ (২০২), সাইফ ১৯ (৫০), মুমিনুল ১৬৯ (২৪৩), শান্ত ১১৮ (২৪৩), ইয়াসির ৮ (৫), সোহান ২(১০), আরিফুল ৭৭ (১৪২), নাঈম ১* (১২), তাইজুল ২* (৭) ; নালকান্দে ২৩-২-৭৯-৪।
বিদর্ভ অ্যাসোসিয়েশন: প্রথম ইনিংসে ৩০ ওভারে ১১৪/১। সঞ্জয় ৪৯ (৮০), অক্ষয় ৬২* (১০১); তাইজুল ৫-০-১৫-১, তাসকিন ৭-০-৩৩-০, এবাদত ৫-১-১৭-০, নাঈম ১০-৩-৩৭-০, আরিফুল ৩-০-১১-০।
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop