আন্তর্জাতিক সময়রাষ্ট্রদূতের পদত্যাগ নিয়ে মুখোমুখি ব্রিটেনের দুই প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
ই-মেইল ফাঁসের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত কিম ডারোচের পদত্যাগের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী জেরেমি হান্ট। একইসঙ্গে এ ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে আরও সহযোগিতা পাওয়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ডারোচকে পুরোপুরি সমর্থন না দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ব্রিটেনের আরেক প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী বরিস জনসন বলেছেন, বিশ্বজুড়ে নিজেদের সব কূটনীতিকের প্রতি তার সমর্থন অব্যাহত থাকবে। কিন্তু, তিনি চান না ব্রিটিশ কূটনীতিকরা কোনো দেশের রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হোক।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে লন্ডনে পাঠানো ই-মেইল ফাঁসের ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই বুধবার (১০ জুলাই) পদত্যাগ করেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত কিম ডারোচ।
তার এই পদত্যাগকে কেন্দ্র করে গেল দুইদিন ধরেই নানা মহলে চলছে আলোচনা সমালোচনা। এমনকি ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ডারোচকে পর্যাপ্ত সমর্থন না দেয়ারও অভিযোগ তোলেন কেউ কেউ।
এর মধ্যেই কিম ডারোচের পদত্যাগের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী জেরেমি হান্ট। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই)  লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি ডারোচ।
তিনি বলেন, আমি মনে করি, একজন রাষ্ট্রদূত হলো আমাদের সর্বোচ্চ কূটনীতিক পদ, এই পদে থেকে কেউ যদি কোনো ব্যক্তি বা দেশ সম্পর্কে সত্য বলার সৎ-সাহস দেখায় তবে, আমাদের সবার উচিৎ তাকে সমর্থন করা।
কিম ডারোচকে পর্যাপ্ত সমর্থন না দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আরেক প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী ও সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। বৃহস্পতিবার, সাংবাদিকদের তিনি বলেন, শুধু ডারোচ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত সব ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের প্রতি তার সমর্থন অব্যাহত রয়েছে।
বরিস জনসন বলেন, ডারোচের পদত্যাগ আমাকেও মর্মাহত করেছে। আমি এখনও মনে করি, তিনি একজন অসাধারণ কূটনীতিক। একজন কূটনীতিকের অবশ্যই নির্ভীক হয়ে সত্যটা প্রকাশ করা উচিত এবং তিনি তাই করেছেন। তবে, আমি বলতে চাই, ই-মেইল ফাঁসের ঘটনায় তিনি নয়, বরং তার ই-মেইল যিনি ফাঁস করেছেন তিনি আসল অপরাধী। যতদ্রুত সম্ভব তাকে খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনা উচিত।
এদিকে, ডারোচের স্থলাভিষিক্ত কে হতে যাচ্ছেন, তা একান্তই প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার বলে জানিয়েছেন দুই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী। তবে, আগামী ২২শে জুলাই নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার আগেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ওয়াশিংটনে নতুন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেবেন কিনা, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop