আন্তর্জাতিক সময়পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রতি ক্ষোভের কারণেই ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সদ্য পদত্যাগ করা যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ডারোচের একটি নথির বরাত দিয়ে এ তথ্য ফাঁস করেছে মেইল অনলাইন। 
এদিকে, ইরানের ওপর আরও চাপ প্রয়োগের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশর প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। অন্যদিকে আটক তেলবাহী ট্যাঙ্কার দ্রুত ছেড়ে দিতে যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইরানি পরাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ। জবাবে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ট্যাঙ্কার মুক্তি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে লন্ডন।
২০১৮ সালের ৮ই মে ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের ওপর পুনর্বহাল করেন অর্থনৈতিক অবরোধ। বিশ্বজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবী করেন, বিশ্বের পাঁচ শক্তিধর দেশকে সঙ্গে নিয়ে ওমাবা প্রশাসনের করা পরমাণু চুক্তিটি ছিল ক্রুটিপূর্ণ এবং ভঙ্গুর।
তবে এতদিন পর, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেইল অনলাইন দাবী করেছে, ত্রুটিপূর্ণ বলে নয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে স্রেফ ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্বের কারণেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চুক্তি থেকে বেরিয়ে যান। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ড্যারোচের পাঠানো একটি বার্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, পরমাণু চুক্তি রক্ষায় জোর চেষ্টা চালিয়েছিল যুক্তরাজ্য।
এজন্য যুক্তরাষ্ট্র সফর করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও'র সঙ্গে বৈঠক করেন তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। ডেইলি মেইলের ভাষায়, বৈঠকের পর দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের সামনে দাঁড়িয়ে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় উষ্ণ করমর্দন করলেও, পুরো বৈঠকটিই ছিল ব্যর্থ।
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে জনসন ব্রিটেনে ফেরার পর এক বার্তায় রাষ্ট্রদূত ড্যারোচ উল্লেখ করেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রতি বিদ্বেষ থেকেই পরমাণু চুক্তি বাতিল করেন ট্রাম্প। একে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কূটনৈতিক গুণ্ডামী হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ইরানের পরমাণু চুক্তি বাতিল ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের মধ্যে বিভক্তির সৃষ্টি হয় বলেও ওই বার্তায় উল্লেখ করা হয়।
তবে সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ড্যারোচের ফাঁস হওয়া বার্তার বিষয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনো কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে জব্দ করা ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কার গ্রেস ওয়ান ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাজ্য। শনিবার এক সাক্ষাতকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট জানান, আদালতের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ইরানি জাহাজটি মুক্তি দেওয়া হবে।
যুক্তরাজ্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট বলেন,' গ্রেস ওয়ান আটকের বিষয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। বিষয়টির সমাধান করতে দু'দেশই একমত। আমি এ নিয়ে জিব্রাল্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছি। আশা করি দ্রুত এর একটি সামধান হবে। তবে এজন্য তেহরানকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, জাহাজটি সিরিয়ায় দিকে যাচ্ছিল না।
এর আগে ইরানের পরাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন ব্রিটিশ পরাষ্ট্রমন্ত্রী। এসময় আটক তেলবাহী ট্যাঙ্কার ছেড়ে দিতে যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক আইন মেনে তেল রফতানি অব্যাহত রেখেছে তেহরান। জবাবে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তেল রফতানির বিষয়ে ইরানকে সহযোগিতা করবে যুক্তরাজ্য।
এর একদিন আগে আটক ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারের ক্যাপ্টেন এবং ক্রুদের মুক্তি দেওয়া দেওয়া হয়। তবে জিব্রাল্টর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্যাঙ্কারটির গতিপথ নিয়ে তদন্ত চলবে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop