খেলার সময়বিশ্বকাপের 'সব বিভাগের সেরারা'

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
এক আসরে সাকিব আল হাসানের ৬ শতাধিক রান আর ১১টি উইকেট। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক আসরে ৫টি শতক রোহিত শর্মার। এক আসরে তিন জনের ছয় শতাধিক রান। ব্যাটসম্যানদের দাপটের মাঝেও এক আসরে মিচেল স্টার্কের ২৭টি উইকেট শিকারের বিশ্বরেকর্ড। নানা রেকর্ডে মহীয়ান সদ্য সমাপ্ত ক্রিকেট বিশ্বকাপ।
এবারের বিশ্বকাপে মিচেল স্টার্ক আর রোহিত শর্মার মাঝে বেশকিছু মিল পাওয়া যায়। দুইজনই বিদায় নিয়েছেন সেমিফাইনাল থেকে। তারপরও ব্যাটিংয়ে সেরাদের চূড়ায় রোহিত শর্মা আর বোলিংয়ে স্টার্ক। দুজনের সামনেই ছিল দারুণ এক হাতছানি। বিশ্বকাপের এক আসরে শ্রেষ্ঠত্বের সুযোগ। দুজনেরই সামনে ছিল স্বদেশী দুজন কিংবদন্তী। রোহিত পারেননি শচীনের এক আসরে ৬৭৩ রানের রেকর্ড ভাঙতে। তবে স্টার্ক ঠিকই টপকেছেন গ্লেন ম্যাকগ্রাকে। ২৭টি উইকেট শিকার করে স্টার্ক পেছনে ফেলেছেন স্বদেশী কিংবদন্তীকে।
বৈচিত্র্যময় বিশ্বকাপের নানা রংয়ে মিশেছে নানা কীর্তি। সব রং এক করে লেখা থাকবে একজনের নাম। সাকিব আল হাসান। এক আসরে ৬০৬ রান আর বল হাতে ১১টি উইকেট, কিংবদন্তীর গল্পেও ছিলো না এমন কেউ। টাইগার অলরাউন্ডার যেন রূপকথা থেকে উঠে আসা রাজপুত্র। অনুমিতভাবেই আইসিসি কিংবা বিদেশী গণমাধ্যমে, টুর্নামেন্ট সেরা একাদশে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সাকিব থাকছেন নিশ্চিতভাবেই।
ব্যাটিংয়ে রোহিত সবার চূড়ায়। পাশাপাশিই আছেন ডেভিড ওয়ার্নারও। মাত্র ৮ ম্যাচে ৬শতাধিক রান টাইগার বয় সাকিবের। গড়ে যিনি সবার ওপরে। এবারই প্রথম এক আসরে তিনটে ছয়শ' ছাড়ানো ব্যক্তিগত সংগ্রহ। পাঁচ শতাধিক রান করেছেন কেন উইলিয়ামসন, জো রুট, বেয়ারস্টো আর অ্যারন ফিঞ্চও।
এবারের আসরে এসেছে ৩১টি সেঞ্চুরি যেটি ছাড়িয়েছে আগের সব আসরকে। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক আসরে ৫ বার শতক ছোঁয়ার রেকর্ড রোহিত শর্মার। তবে বোলারদের বেধড়ক পেটানোর রেকর্ডটা ইয়ন মরগানের। ২২বার উড়িয়ে মাঠের বাইরে বল পাঠিয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক।
এর মাঝেও বল হাতে ছড়ি ঘুরিয়েছেন স্টার্ক। দোর্দন্ড প্রতাপে প্রতিপক্ষদের চূর্ণ করেছেন। লোকি ফার্গুসন দলকে টেনে তুলেছেন ফাইনালে। তার শিকার ২১টি উইকেট। আর্চার আর মোস্তাফিজের শিকার ২০টি করে উইকেট। বুমরাহ-উড গতির ঝড় তুলে শিকার করেছেন ১৮টি উইকেট।
তবে মোস্তাফিজ একদিকে অনন্য। পরপর দুই ম্যাচে শিকার করেছেন ৫টি করে উইকেট। বিশ্বআসরে এমন নজির যেমন হাতেগোনা। স্টার্কও দুইবার ৫ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়েছেন। তবে সবাইকে ছাপিয়ে সেরা বোলিং ফিগার পাক তরুণ শাহীন শাহ আফ্রিদির। বাংলাদেশের বিপক্ষে তার শিকার ৬টি উইকেট। স্টার্ক আর সাকিব আছেন তার পরপরই।
ফিল্ডিংয়ে দারুণ ক্ষীপ্রতা নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডকে ফাইনালে টেনে তোলার ক্ষেত্রে বড় প্রভাবক। বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ক্যাচ লুফে নেয়াদের তালিকায় যেমন এই দুই দলের ফিল্ডারদের আধিপত্য। ১৩টি ক্যাচ নিয়ে জো রুট এক্ষেত্রে সবার ওপরে।
ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং, ক্রিকেটের তিন বিভাগের কার্যকারিতা প্রমাণের দারুণ এক মঞ্চ ছিল এবারের বিশ্বকাপ। নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসে ঠাঁই করে নেবে ক্রিকেটের ১২তম বিশ্ব আসর।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop