মহানগর সময়বজ্রপাতে মৃত্যু বাড়ছে যে কারণে

রাশেদ বাপ্পী

fb tw
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই সম্প্রতি বেড়েছে বজ্রপাতে মৃত্যু সংখ্যা। গত দুই মাসে সারা দেশে বজ্রপাতে মারা গেছে ১২৬ জন। আকস্মিক এই দুর্যোগ প্রতিরোধ সময়সাপেক্ষ জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হতাহতের সংখ্যা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে এখনই। এক্ষেত্রে দ্রুতসময়ের মধ্যে বজ্রপাত প্রতিরোধী অ্যারেস্টার স্থাপনসহ খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবীদের রক্ষায় সেল্টার নির্মাণের পরামর্শ তাদের।
ঘন কালো মেঘ। বিজ্ঞানের ভাষায় যার নাম কিউমুলোনিম্বাস বা বজ্রমেঘ। ঝড়ো বাতাসের প্রভাবে দ্রুতগতির কালো মেঘের মধ্যে ঘর্ষণ ও সংঘর্ষের ফলে সৃষ্টি হওয়া ইলেকট্রনের প্রবাহকে বলে বজ্রপাত। যা বাতাসের জলীয় বাষ্পের মাধ্যমে নেমে আসে ভূমিতে।
চলতি বছরের মে ও জুন মাসে বজ্রপাতে সারাদেশে প্রাণহানি ঘটেছে ১২৬ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক। এদের মধ্যে পুরুষ ৯৮জন, নারী ২১ ও ৭জন শিশু। আর, চলতি মাসের ১৩ তারিখ একদিনেই বজ্রপাতে ঝড়ে গেছে ১৩টি প্রাণ। এছাড়া ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গত সাত বছরে বজ্রপাতে মারাগেছে দেড় হাজারের বেশি মানুষ।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বজ্রপাতে সবথেকে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটে ধান কাটতে গিয়ে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মারা যায় বৃষ্টিপাতের সময় মাছ ধরার ধরতে গিয়ে। এবং মৃত্যুর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মাঠে গবাদি পশু আনতে গিয়ে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বজ্রপাত প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হিসেবে সরকারি উদ্যোগে তালগাছ লাগানোর প্রক্রিয়া চললেও, তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণহানী ঠেকাতে প্রয়োজন স্বল্পমেয়াদে কার্যকর উদ্যোগ।

ঢাকা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরশাদ মোমেন বলেন, 'তালগাছ বেড়ে ওঠা এটি একটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। বজ্রপাতে মৃত্যু থামানোটা কষ্টকর। কিন্তু কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই মৃত্যুর সংখ্যাকে নামিয়ে আনতে পারি।'
অন্যদিকে, বজ্রপাত বিষয়ে সচেতনতা কর্যক্রমের পরামর্শ দুর্যোগ ব্যবস্থাপকদের। পাশাপাশি শিশুপাঠ্যে গুরুত্ব দিতে হবে বজ্রপাত বিষয়টি।
অ্যান্টিনার মতো দেখতে একটি যন্ত্রই হলো লাইটনিং ডিডেকটর সেন্সর। সারাদেশে বসানো সেরকম আটটি আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিদিন ঘটে যাওয়া বজ্রপাতের নির্ভুল সংখ্যা জানা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রযুক্তির এমন ব্যবহারে ধীরে ধীরে বজ্রপাতের আগাম পূর্বাভাস দিতে আরো সক্ষম হয়ে উঠবে আবহাওয়া অফিস, তবে, এই তথ্য দ্রুতসময়ের মধ্যে প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়াই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop