মহানগর সময়বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, আতঙ্কে নগরবাসী

সময় সংবাদ

fb tw
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির পর রাজধানীতে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণে সিটি করপোরেশনের কোন তৎপরতা নেই বলে অভিযোগ নগরবাসীর। অন্যদিকে প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। সংকট সমাধানের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত একই আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে নগর কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও বলেছে চাপ বাড়লেও ঘাটতি হবে না চিকিৎসায়।
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি শেষে আবারো সূর্যের প্রতাপ রাজধানীতে। এর মাঝেও আবার দুই এক পশলা থেমে থেমে বৃষ্টি। এ সবই যেন উস্কে দিচ্ছে ডেঙ্গু বাহক এডিস প্রজননে। অপরিচ্ছন্ন নগরে নানা জায়গায় জমে আছে পানি তবু যেন দেখার নেই কেউ।
একজন বলেন, 'এখানে কোন মশার মেডিসিন দেয়া হয় না। যদি অনুরোধ করি,তাইলে দোকাগুলোর পাশে একটু দেয়, তাতে কাজ হয় না।'
এদিকে হাসপাতালে যেন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী সংখ্যা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে চার হাজার ৮৫২ জন। এর মধ্যে এক হাজার বাইশ জন বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালের বিছানায় ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করা এসব মানুষেরও তির্যক দৃষ্টি নগর প্রশাসনের দিকেই।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত একজন বলেন, 'গত এক মাসে আমি দেখিনি কোন মেডিসিন দিতে।'  
আরেকজন বলেন, 'মেডিসিনের পরিমাণ কম হওয়াতে মশার উপদ্রব কমছে না।'  
সর্বশেষ ষোল জুলাই রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১৪, যা এ বছর একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এ নিয়ে শেষ সাত দিনে এই সংখ্যা গড়ে প্রায় ২০০'শ। তবে এখনো নগর কর্তৃপক্ষের দাবি ভয়ের কিছু নেই, নেয়া হচ্ছে ব্যবস্থা।
ডিএসসিসি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. শরীফ আহমেদ বলেন, 'থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারণে পানি জমে থাকছে, আর এটা এডিস মশা প্রজননের খুবই সহায়ক। সে জন্য আমরা চেষ্টা করছি, পানি যেখানে যেখানে জমতেছে, সেগুলো সরানোর।'
ডিএসসিসি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমিনুর রহমান মামুন বলেন, 'এটা আতঙ্কিত হওয়ার বিষয় কারণ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে এবিষয়ে সচেতন করা চেষ্টা করে যাচ্ছি আমরা।'
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা চলছে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম এম আকতারুজ্জামান বলেন,'জানুয়ারি থেকে ২ হাজার ডাক্তারকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। তবে আবারো ডাক্তারদের নিয়ে সেই প্রশিক্ষণ রিভিউ করা হয়েছে। এবং তাদের সতর্ক করা হয়েছে, যে কোন বিষয়টা করতে হবে,কোনটা করতে হবে না।'
তবে আক্রান্ত হওয়ার পর সেবা নয় প্রয়োজন প্রতিরোধে সর্বস্তরের সচেতনতা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop