বাংলার সময়বাগেরহাটে প্রি-পেইড বৈদ্যুতিক মিটারের আওতায় ৭০ ভাগ গ্রাহক

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
বাগেরহাটে ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. (ওজোপাডিকো)-এর ৭০ ভাগ গ্রাহক এখন স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার ব্যবহার করছেন। অল্প সময়ের মধ্যে অবশিষ্ট গ্রাহকদেরও স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার সংযোগের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রি-পেইড মিটার ব্যবহারের ফলে কমেছে বিদ্যুৎ অপচয়। আগের তুলনায় অর্ধেক খরচে নতুন সংযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা।
বাগেরহাট পৌরসভার ১৫ হাজার ১৭ জন গ্রাহকের মধ্যে ১০ হাজার ৩‘শ গ্রাহককে স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার সংযোগ দেয়া হয়েছে। প্রতিদিনই চলছে এ মিটার স্থাপনের কাজ।  
 
তবে বিদ্যুৎ বিভাগকে আধুনিকায়নের এ প্রচেষ্টায় গ্রাহকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বাগেরহাটে। গ্রাহকরা বলছেন, 'আমাদের বিল বেশি হয়, অনেক সময় রিচার্জের সমস্যা হয়।'
তবে সচেতন গ্রাহক ও ওজোপাডিকো কর্তৃপক্ষ বলছেন স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার ব্যবহারে সাধারণ মানুষের যেমন উপকার হচ্ছে তেমনি সরকারও সময়মত রাজস্ব পাচ্ছে।
বাসাবাটি এলাকার গ্যারেজ ব্যবসায়ী শামীম হোসেন বলেন, 'আগের মিটারের চেয়ে প্রি-পেইড মিটারে বেশি সুবিধা পাচ্ছি। কারণ আমি কত টাকা খরচ করছি, তা নিজেই হিসেব রাখতে পারছি।'
দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, 'আমার বাসায় ৫টি মিটার আছে। ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে প্রতিমাসে বিল প্রদান নিয়ে চিন্তায় থাকতে হত। কিন্তু প্রি-পেইড মিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়া সবাই সচেতন হয়েছে। যে যার মিটারে রিচার্জ করছেন এবং প্রয়োজন মতো বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন।'
বাগেরহাটের ওজোপাডিকো-এর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ঘোষ বলেন, 'স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার শর্ট সার্কিট জনিত দুর্ঘটনা রোধ করে গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার নিরাপদ রাখে। পরিবারের বাজেট অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া যায়। ঘরে বসেই মোবাইল এ্যাপস এর মাধ্যমে রিচার্জ করা যায় এ মিটারে। মিটার প্রতিস্থাপনের সময় গ্রাহককে অপারেটিং ম্যানুয়াল প্রদান করায় গ্রাহকরা সহজেই বিদ্যুৎ ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন। '
এই কর্মকর্তা জানান, ব্যাল্যান্স শেষ হয়ে গেলে একশত টাকা অগ্রিম ব্যাল্যান্স গ্রহণ করতে পারে গ্রাহকরা, যার ফলে টাকা শেষ হলেও বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এছাড়া সাপ্তাহিক ছুটি, সরকারি ছুটির দিনে এবং অফিস সময়ের পরে (বিকেল ৪টা থেকে পরের দিন সকাল ১০টা পর্যন্ত) মিটারে ব্যাল্যান্স না থাকলেও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না। নিট বিদ্যুৎ বিলের উপর ১ শতাংশ রিবেট পাওয়ায় গ্রাহকরা লাভবান হচ্ছে।
এ মিটার ব্যবহারের ফলে গ্রাহকদের কোন প্রকার বিলম্ব মাশুল গুনতে হচ্ছে না বলে জানান এ কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, গ্রাহকের বাসায় ওয়্যারিংয়ের যদি ত্রুটি থাকে এবং নিউট্রাল লাইন যদি কমন থাকে, তবে সেই লাইনের বিল যোগ হবে। অর্থাৎ বিল বেশি দেখাবে। কোন বহুতল ভবনের সব নিউট্রাল যদি এক থাকে, আর্থিংয়ের তার, আইপিএস-এর নিউট্রাল, সোলারের নিউট্রাল, জেনারেটরের নিউট্রাল, চেঞ্জওভার নিউট্রাল, যদি মেইন সুইচের নিউট্রালের সঙ্গে থাকে এবং কোন সাইড কানেকশনের নিউট্রাল যদি লোড সাইটের নিউট্রালে থাকে তবে বিল বেশি আসতে পারে। এ ব্যাপারে গ্রাহকদের সতর্ক থাকতে হবে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop