খেলার সময়চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীর জালে ৪ গোল মোহামেডানের

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে স্মরণীয় এক জয় পেল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তকলিস আহমেদের জোড়া গোলে আবাহনীকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে সাদা-কালো জার্সিধারীরা। এর ফলে ৪ বছর পর ধানমন্ডির জায়ান্টদের বিপক্ষে জয়ের মুখ দেখলো এমিলি বাহিনী। এই জয়ে রহমতগঞ্জকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের নয় নম্বরে উঠে এসেছে সাদা-কালো শিবির। প্রতিপক্ষকে সমীহ না করায় এমন ভরাডুবি হয়েছে দলের, বললেন আবাহনী কোচ মারিও লেমোস।
উদযাপনটাই বলে দিচ্ছে এই জয় কতোটা বিশেষ দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মোহামেডানের। তার ওপর প্রতিপক্ষ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী। স্কোর লাইনটাও ৪-০! ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগে কেবল সমর্থক কেন, হয়তো ব্যবধানটা কল্পনাও করেননি দু'দলের খেলোয়াড়-কোচরাও। আর বহুদিন পর গ্যালারীর নিরাপত্তা বেষ্টনী টপকে মাঠে অনুপ্রবেশের প্রণোদনা পেলেন সাদা-কালো শিবিরের ভক্তরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই এমিলি বাহিনীর শারীরিক ভাষা জানান দিচ্ছিলো এমন কিছুরই। সাফল্যটা আসতেও দেরি হয়নি। ১৭ মিনিটেই তকলিসের গোলে উদযাপনের প্রথম সুযোগ পায় মোহামেডানের ডাগআউট। পেছনের কারিগর মালির ফরোয়ার্ড সুলেমানে।
২১ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেলেও গোলকিপার পাপ্পুকে ফাঁকি দিতে পারেননি আবাহনীর স্ট্রাইকাররা। উলটো মধ্যবিরতির বাঁশি বাজার আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে নিজের জোড়া পূর্ণ করেন তকলিস। এবার অ্যাসিস্টে অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি।
দ্বিতীয়ার্ধেও যেন গোলক্ষুধা মেটেনি শন লিন শিষ্যদের। ১ম গোলের অ্যাসিস্ট করা সুলেমানে ৪৯ মিনিটে নিজেই আবাহনীর জালে বল জড়ালেন। বড় ব্যবধানের উল্লাসে তখন কাঁপছে মোহামেডান গ্যালারি।
৫৯ মিনিটে আক্রমণে যাবার চেষ্টায় আবাহনী। এবারও রুবেলের হেড পরাস্ত মোহামেডান গোলরক্ষকের সামনে। উলটো কাউন্টার অ্যাটাকে ৪-০'র লজ্জা নিশ্চিত হয় আবাহনীর। এবার সুলেমানের ক্রসে মাথা ঠেকিয়ে গোল করেন অধিনায়ক এমিলি।
শেষে ৮৮ মিনিটে মিডফিল্ডার রাব্বির শট বারে লেগে ফিরলে ৫-০'র দুঃস্বপ্ন থেকে বেঁচে যায় লেমোস শিষ্যরা। আর বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা মোহামেডান।
প্রতিপক্ষকে সমীহ না করায় এমন বাজে হার পেয়েছে দল। এএফসি'র ম্যাচের আগে এই হারে একাদশ নিয়ে আবারও পরিকল্পনার কথা বললেন আবাহনী কোচ। অন্যদিকে, রেলিগেশন শঙ্কা কাটাতে এ জয় অত্যন্ত ইতিবাচক। ছেলেরা পরিশ্রমের ফল পাচ্ছে মন্তব্য মোহামেডান কোচ শন লিনের।
আবাহনীর কোচ মারিও লেমোস বলেন, মোহামেডান আজ প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের চেয়ে ভালো খেলে জিতেছে। ছেলেরা প্রতিপক্ষকে মোটেও সমীহ করে খেলেনি। তারই ফল এটা। একাদশ নিয়ে আবারও ভাবতে হবে আমাদের।
মোহামেডানের কোচ শন লিন বলেন, জয়টা দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। আমরা যা চেয়েছি মাঠে তা করতে পেরেছি। দিনটা আমাদের জন্য ভালো ছিলো। এখন এটা ধরে রাখতে হবে।
জয়টা কেবল মোহামেডানের জন্যই নয়, গুরুত্বপূর্ণ দেশের ফুটবলের জন্যও। আবারও জমবে ঢাকার দুই পরাশক্তির লড়াই। মাঠমুখো হবে দু'দলের সমর্থকেরাও। এ যেন তারই ইঙ্গিত।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop