খেলার সময়প্রাক মৌসুমে সিটি-ইউনাইটেডের দারুণ জয়

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
মৌসুম শুরুর আগে ক্লাব প্রীতি ম্যাচে লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে জয় পেয়েছে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অস্ট্রেলিয়ার অটপাস স্টেডিয়ামে রেড ডেভিলদের জয় ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে।
অন্যদিকে, থেমে নেই ইপিএল চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি। বেইজিংয়ে প্রিমিয়ার লিগ এশিয়া কাপে ওয়েস্টহ্যামকে ৪-১ ব্যাবধানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে সিটিজেনরা।
গেল মৌসুমে থিয়েটার অব ড্রিমে কুশীলবের পরিবর্তন এসেছে অনেক। মরিনহো পর্বের সমাপ্তির পর নতুন নির্মাতা সোলশায়ারের হাত ধরে সাফল্য এসেছে, কিন্তু পূর্ণতা পায়নি। নতুন মৌসুম শুরুর আগে তাই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে অস্ট্রেলিয়া পাড়ি রেড ডেভিলদের। নিজস্ব ঢংয়ে তাদের বরণ ক্যাঙ্গারুর দেশের ফুটবল প্রেমীদের।
প্রীতি ম্যাচ। নিয়মিত একাদশের বেশ কজন খেলোয়াড়কে বসিয়ে রেখে একাদশ সাজায় ইংলিশ জায়ান্টরা। কিন্তু অপটাস স্টেডিয়ামে সেই আঁচ লাগতে দেয়নি রাশফোর্ড-লুকাকুরা। ৭ মিনিটেই পল পগবার দারুণ বাড়ানো ক্রস থেকে স্কোর করেন ম্যাসন গ্রিনউড। সুদূর তাসমান পাড়েও ঢেউ খেলে যায় একদল রেড ডেভিল সমর্থকের।
২৭ মিনিটে আবারো গোল ম্যানচেস্টার শিবিরে। গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে গোল করেন মার্কোস রাশফোর্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে রেড ডেভিল শিবির যেন আরো সতেজ। ৫১ মিনিটে আন্দ্রেস পেরেইরার কর্নার থেকে দারুণ এক হেডে গোল করেন জোনস। আর ম্যাচের ৭৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ম্যাচের শেষ গোল করলে ৪-০ গোলের জয় নিয়ে অস্ট্রেলিয়া মাতায় সোলশায়ার শিষ্যরা।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড যখন অস্ট্রেলিয়া জয় করছে, তখন বসে থাকবে কেনো একই শহরের চির প্রতিদ্বন্দী ম্যানচেস্টার সিটি। চীনে প্রিমিয়ার লিগ এশিয়া কাপ ট্রফির সেমিফাইনালে তারা মুখোমুখি হয়েছিল ওয়েস্টহামের বিপক্ষে।
ম্যাচের শুরুতে একটু ধীর লয়ে খেলে সিটিজ়েনরা। তাতেই সুযোগ পেয়ে বসে ওয়েস্টহাম ইউনাইটেড। ২৩ মিনিটেই সবাইকে অবাক করে গোল খেয়ে বসে টানা দুইবারের প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরা। রক্ষনদূর্গের ভুলে পেনাল্টি থেকে স্কোর করেন মার্ক নোবেল।
গোল খেয়ে যেনো হুশ ফিরে পায় গার্দিওলার শিষ্যরা। একের পর এক আক্রমণের পসরা সাজায় দানিলো-লাপোর্তেরা। ৩৩ মিনিটেই ফল আসে। বার্নাবের লম্বা পাসে জালের ঠিকানা খুজ়ে নিতে ভুল করেননি ডেভিড সিলভা।
ঘড়ির কাঁটা দু' মিনিট না পেরোতেই স্কোর লাইন দ্বিগুন করে সিটিজেনরা। পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে নেন লুকাস মেচা।
দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপটে আসেন রাহিম স্টার্লিং। ৫৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে প্রায় একাই বল টেনে গোল করেন এই মিডফিল্ডার।
৭০ মিনিটে আবারো গোল স্টার্লিংয়ের। তাতেই ৪-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিটিজেনরা। এই জয়ে ফাইনালে আরো একটি নতুন ট্রফির হাতছানি থাকছে পেপ গার্দিওলার সামনে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop