শিক্ষা সময়যে কারণে পিছিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
তিন পার্বত্য জেলায় পাসের হার কমের পাশাপাশি ইংরেজি ও আইসিটিতে খারাপ হওয়ায় এবার পাসের হারে সবার পেছনে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড। তবে বিগত ৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেড়েছে জিপিএ ৫ -এর সংখ্যা। এ অবস্থায় তিন পার্বত্য জেলার শিক্ষার্থীদের মূল স্রোতে এনে আলাদা কার্যক্রম শুরুর পরামর্শ শিক্ষাবিদদের।
ফল ঘোষণার পর বাঁধভাঙা আনন্দ আর উল্লাস চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থীদের। চট্টগ্রাম বোর্ডে জিপিএ ৫ -এর দিক দিয়ে প্রথমে এ বোর্ড। তবে এবার সার্বিক বিবেচনায় এইচএসসিতে ৬২. ১৯ শতাংশ পেয়ে পাসের হারের দিক দিয়ে সবার পেছনে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড। ২০১৮ সালে ছিলো ৬২.৭৩, ২০১৬ সালে ৬৪.৬০, এবং ২০১৫ সালে ৬৩.৪৯ শতাংশ। এজন্য সৃজনশীল পদ্ধতি, আইসিটি ও তিন পার্বত্য জেলার পেছনে পড়ে থাকাকে দায়ী করলেন শিক্ষার্থীরা।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, এবার ২ হাজার ৮৬০ জন জিপিএ ৫ পেয়ে বিগত ৫ বছরের চেয়ে এগিয়ে আছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড।
তিন পার্বত্য জেলার পাসের প্রভাব পড়েছে পাসের হারে। খাগড়াছড়ির পাসের হার ৪৯ দশমিক নয় তিন, রাঙ্গামাটিতে ৪৫ দশমিক পাঁচ শূন্য আর বান্দরবানে ৫৯ দশমিক সাত এক শতাংশ। তাদের জন্য আলাদা কার্যক্রমের দাবি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক অঞ্জন কুমার নন্দীর।
পাশের হার শূন্য এমন কলেজের সংখ্যা একটি আর শতভাগ পাশের হার এমন কলেজ ৪টি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop