খেলার সময় ২০২৩ ভারত বিশ্বকাপ খেলতে চান মুশফিকুর রহিম

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
২০২৩ ভারত বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ দলে খেলতে চান মুশফিকুর রহিম। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। আর এ জন্য এখন থেকে প্রতিটা সিরিজেই পারফর্ম করতে মুখিয়ে আছেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। অন্যদিকে, এতো কাছে গিয়েও বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁতে না পারার হতাশা থেকে এখনো বের হতে পারছে না নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। আইসিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছেন পেসার কিউই ট্রেন্ট বোল্ট।
২০০৭ সাল থেকে শুরু, এরপর দেখতে দেখতে কেটে গেছে এক যুগ। এর মধ্যে হয়ে উঠেছেন জাতীয় দলের অপরিহার্য সদস্য। উইকেটের সামনে, পেছনে সমান দক্ষতায় সামলে আসছেন নিজ দায়িত্ব। বলছিলাম তর্কাতীতভাবে টাইগারদের সেরা উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের কথা।
নিজের ক্রিকেটিং ক্যারিয়ারে ইতোমধ্যে খেলে ফেলেছেন ৪টি বিশ্বকাপ। ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে খেলা এই বিশ্বকাপগুলো বাড়িয়েছে তার অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার। যদিও, ব্যাটসম্যান হিসেবে সেরকম কোন কীর্তি নেই তার। এই বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করা একমাত্র সেঞ্চুরিটাই এখনো সেরা ইনিংস।
তারপরও ২০২৩ বিশ্বকাপে টাইগারদের হয়ে মাঠে নামতে চান মুশফিকুর রহিম। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব আসরে দলের প্রতিনিধিত্ব করতে মুখিয়ে আছেন তিনি। ক্রিকবাজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা নিশ্চিত করেছেন মুশি নিজেই।
মুশফিক বলেন, আমি প্রতিদিন আগের চেয়ে আরো বেশি পরিশ্রম করছি কারণ ২০২৩ এ বিশ্বকাপে আমি খেলতে চাই। সেভাবেই নিজেকে প্রস্তুত করছি। এ বিশ্বকাপে দুই একটা ম্যাচে রান পেয়েছি, কিন্তু আমি আমার সীমারেখা জানি, তাই সামনে আরো ভালো খেলতে চাই। দেখুন আমার বয়স বাড়ছে, তাই এখন থেকে প্রতিটি সিরিজের আগে ভেবে দেখবো আমি খেলবো কি না। গুরুত্ব যাচাই করে খেলার সময় চলে এসেছে। পাশাপাশি নতুনদেরও সুযোগ দেয়ার বিষয়টি তো আছেই।
ব্যাটে বলে এবারের বিশ্বকাপে সাকিবের কাছাকাছি নেই বাংলাদেশের কেউই। যা একটু প্রতিদ্বন্দ্বীতা ছিলো সেটা মুশফিকের কল্যাণেই। ৮ ইনিংসে ৩৬৭ যার উজ্জ্বল প্রমাণ। যদিও, তামিম ইকবালও ছিলেন তার কাছাকাছি। নিজেদের মাঝে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা বেশ উপভোগ করেন তিনি।
উইকেট কিপার মুশফিক আরো বলেন, এটা বেশ মজার। আমরা সবাই চাই একে অপরের থেকে বেশি রান করতে। কারণ, আমরা সবাই বাংলাদেশকে জেতাতে চাই। একই কথা নতুনদের জন্যও। তাদের উচিত নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ানো। এতে কিন্তু দিন শেষে লাভটা হবে পুরো দলের।
টানটান উত্তেজনা, কিংবা রোমাঞ্চকর এক ক্রিকেট ম্যাচ। এক কথায় ঠিক বোঝানো সম্ভব না ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটাকে। কারো কারো মতে এটাই হয়তো ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ম্যাচ।
যে যাই বলুক, এরকম এক ম্যাচে পরাজিত দলের যন্ত্রণা যে কত ভয়াবহ তা অনুমান করাও সবার জন্য অসম্ভব। তার ওপর তিনি যদি হন ক্লাসিক সেই সুপার ওভারের অন্যতম প্রধান চরিত্র, তাহলে তো কথাই নেই।
হারের সেই যন্ত্রণা এখনো কুড়েকুড়ে খাচ্ছে কিউইদের। বিশেষ করে সুপার ওভারে ব্ল্যাক ক্যাপদের হয়ে বোলিং করা ট্রেন্ট বোল্টকে।
মুশফিক বলেন, কষ্টটা কোনভাবেই আমি বোঝাতে পারবোনা। বিশ্বকাপের এতো কাছে গিয়ে মনে হয়না অন্য কেউ এভাবে খালি হাতে ফিরবে। তারপরও আমাদেরকে বাস্তবতা মেনে নিতে হচ্ছে। কিন্তু চাইলেই সব স্বাভাবিক হচ্ছে না। আরো কিছুদিন সময় প্রয়োজন।
প্রফেশনাল ক্রিকেটে অবশ্য এ আবেগের খুব একটা মূল্য নেই। তাই তো কয়েক দিন পরেই আবারো নতুন সিরিজ নিয়ে মাততে হবে কিউইদের। প্রস্তুত হতে হবে নতুন কোন মিশনের জন্য।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop