মহানগর সময়ছিপ-বড়শির খেলা

রাশেদ বাপ্পী

fb tw
ভোর থেকে সন্ধ্যা। তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা। দিনশেষে প্রাপ্তির খাতায় কখনো থেকে যায় শূন্যই। আছে অতৃপ্তি-হতাশা, তবুও নিরাশ নন কেউই। পূর্ণ উদ্যমে আবারো ধ্যান। ছিপ আর বড়শি দিয়ে মাছ শিকারিদের গল্প এমনই।
নগর সভ্যতার বেড়াজালে দিনে দিনে জলাশয় বা পুকুর কমতে থাকলেও যে কটি অবশিষ্ট আছে তাতে এখনো নিয়ম করে চলে ছিপ বড়শির খেলা।
টোপ, ছিপ আর বড়শী। মাছ শিকারের প্রাচীন অনুষঙ্গই নয়, কঠিন অধ্যবসায় আর অপরিসীম ধৈর্য পরীক্ষার বিকল্প নামও বটে।
ভোরের সূর্য উঠতেই রমনা লেকের তীর জুড়ে মাছ শিকারিদের তোড়জোড়। লোভনীয় টোপ ফেলে অপেক্ষা করে মৎস্য শিকারির দল। গভীর জলের মাছ ডাঙায় তুলে আনার প্রতীক্ষার প্রহর কিছুতেই যেন শেষ হতে চায়না।
দীর্ঘ সাধনায় সফলতার মুখও দেখেন কেউ কেউ। হাসির ঝিলিক তখন মাছ শিকারিকে ছাপিয়ে ছুঁয়ে যায় আশপাশের মানুষদেরও।
তবে অনিশ্চিত এই মাছ ধরার খেলায় হতাশও হতে হয় অনেক সময়। দীর্ঘ অপেক্ষায় মেলে না মাছের দেখা। চতুর মাছ টোপ খেয়ে সটকে পড়ে নীরবেই।
ধৈর্য পরীক্ষার কঠিন এই খেলায় শিকারিভেদে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন গোপন টোটকা।
রমনার লেকে বছরে দুই মাসের জন্য সুযোগ মেলে টিকিট কেটে মাছ ধরার। তিন হাজার টাকায় একটি টিকিটের বিপরীতে সপ্তাহে দুই দিন শুক্র ও শনিবার সর্বোচ্চ চারটি বড়শী ফেলতে পারেন একজন শিকারি।
নগর জীবনে ধীরে ধীরে জলাভূমি কমে যাওয়া এবং দেশিয় মাছের বিলুপ্তির বিষয়টিও ভাবায় এই শিকারিদের। মাছে ভাতে বাঙালির অতীত গৌরব ধরে রাখাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান তাদের।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মাছের এভাবে টোপ গিলে ফেলা সত্যিই সৌভাগ্যের বিষয়। দিনভর এমন প্রচেষ্টায় কারো ভাগ্যে জোটে খালুই ভর্তি মাছ, আবার কেউবা বাড়ি ফেরেন শূন্য হাতে। তবে মাছ ধরা পড়ুক আর নাইবা পড়ুক কর্মব্যস্ত নগর জীবনে নিখাদ বিনোদন আর সময় কাটানোর এর থেকে ভালো অনুসঙ্গ আর কিইবা হতে পারে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop