মহানগর সময়গণপিটুনিতে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে দ্রুত ব্যবস্থা

খান মুহাম্মদ রুমেল

fb tw
গণপিটুনির নামে মানুষ হত্যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আমলযোগ্য অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন আইনজীবীরা। সামাজিকভাবেও এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মত তাদের। এসব বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ তাদের। আর পুলিশ বলছে, গণপিটুনির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি কোনো ধরনের গুজবে কান না দিতে সবার প্রতি অনুরোধ পুলিশের। 
রোববার (২১ জুলাই) সকালে নওগাঁ সদর উপজেলার বুড়িদহ গ্রামে পুকুরে মাছ ধরা মাছ ধরা শেষে বস্তায় মাছ ভরে বাজারে যাচ্ছিলেন একদল মৎস্যজীবী। এসময় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি দেয়া হয় তাদের। শনিবার রাজধানীর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয় দুই সন্তানের জননী তাসলিমা রেনুকে। অথচ তিনি স্কুলে গিয়েছিলেন সন্তানদের ভর্তির বিষয়ে খোঁজ নিতে। 
গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্নস্থানে এমন নিছক সন্দেহ কিংবা গুজবকে কেন্দ্র করে ঘটছে একের পর গণপিটুনির ঘটনা। মূলত পদ্মাসেতুতে মানুষের লাখ লাখ মানুষের মাথা লাগবে বলে যে গুজব ছড়ানো হয়েছিলো তার ভিত্তিতেই দেশজুড়ে ঘটছে গণপিটুনির নামে এসব সহিংসতা।
অপরাধ বিশ্লেষক অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, শুধু মাত্র কোনো একটা বিষয় এটাকে প্রভাবিত করছে এটা কিন্তু না। অনেকগুলো বিষয় মিলে মিশে তারপরে অপরাধগুলো হয়। তার একটা প্রভাব সমাজ এবং ব্যক্তির উপর পড়তে দেখি। 
আইনজীবীরা বলছেন, শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে আঘাত করা, মেরে ফেলা কিংবা গণপিটুনি দেয়ার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। কারো আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাকে আইশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া যেতে পারে। কিন্তু কোনোভাবেই গণপিটুনির মতো ঘটনা ঘটানো যাবে না।
আইনজীবী এম আমিনুল ইসলাম বলেন, গণপিটুনি একটা ক্রিমিনাল অফেন্স। সামনে যদি কোনো অপরাধ সংগঠিত হয় সেকশন ৫৯ সিআরপিসিতে আপনাকে আইন ক্ষমতা দিয়েছে আপনি তাকে গ্রেফতার করতে পারেন। যে কোন সাধারণ মানুষ তাকে গ্রেফতার করতে পারবে। গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটস্থ পুলিশ অফিসার বা থানায় তাকে হস্তান্তর করতে হবে। এর বাইরে সাধারণ মানুষের হাতে আর কিছু করার নেই।
এদিকে পুলিশ বলছে, প্রতিটি গণপিটুনির ঘটনা তদন্ত করছেন তারা। গণপিটুনির সঙ্গে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
ডিএমপি-র অপরাধ বিষয়ক যুগ্ম কমিশনার শেখ নাজমুল আলম বলেন, সবার কাছে আমার একটা আবেদন, কখনো আপনারা কেউ এই বিষয়ে উদ্যোগী হয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। যদি কাউকে সন্দেহজনক মনে হয়, সাথে সাথে পুলিশকে জানাবেন।
সমাজে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ধরণের গুজব বন্ধে আইনের পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করতে নানা কার্যক্রম চলছে বলেও জানান পুলিশ কর্মকর্তারা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop