মহানগর সময়ডেঙ্গুরোগীর চাপে মারাত্মক শয্যা সংকটে হাসপাতালগুলো

রাশেদ বাপ্পী

fb tw
ক্রমেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক শয্যা সংকটে রাজধানীর হাসপাতালগুলো। সরকারি হাসপাতালে নির্ধারিত শয্যার বাইরে মেঝেতে চিকিৎসা দেয়া হলেও, শয্যা সংকটের কারণে রোগী ফেরত যাচ্ছে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে। অনেকটা নিরুপায় হয়ে পড়া চিকিৎসকদের আশঙ্কা, এডিসের বংশ বৃদ্ধি রোধ না করা গেলে পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়বে। অন্যদিকে, কোনো হাসপাতাল রোগী ভর্তিতে অপরাগতা প্রকাশ কিংবা অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারি স্বাস্থ্য সচিবের।
সেন্ট্রাল হসপিটাল লিমিটেডের উপ-পরিচালক ডা. এ কে এম মোজাহার হোসেন বলেন, ঈদের আগে বাস ট্রেনের টিকিটের জন্য হুরোহুরি করে ঠিক তেমন একটা শয্যার জন্য ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর অভিভাবকরা অগ্রিম বুকিং দয়ে যাচ্ছে। 
একজন চিকিৎসকের এমন বক্তব্য বলে দেয় প্রমাণ করে কতোটা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে রাজধানীর ডেঙ্গু পরিস্থিতি। পান্থপথের সেন্ট্রাল হসপিটালের মতোই প্রতিটি হাসপাতালের দৃশ্য এখন এমনই। রোগী ভর্তির দীর্ঘ লাইন। অপেক্ষা ঘণ্টার পর ঘণ্টা। তবু মিলছে না একটি বেড। ডেঙ্গু শনাক্তের পরও শুরু করা যাচ্ছে না চিকিৎসা সেবা।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছে সরকারি হাসপাতালগুলো। নির্ধারিত বেড শেষ হওয়ায় বিশেষ ওয়ার্ড খুলেও চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে মেঝেতে। তবে সকল সংকটকে যেন হার মানিয়েছে গুরুতর রোগীর আইসিইউ সেবার ক্ষেত্রে। আইসিইউ বেড না থাকায় কোনো কোনো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিরুপায় হয়ে করেছেন দু:খ প্রকাশ।
রোগীর আত্মীয়রা বলেন, অনেক জায়গায় চেষ্টা করেছি কোনো হাসপাতালে জায়গা পাইনি। তারপরেই এখানে এসেছি। 
এদিকে উদ্বেগজনক হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ায় অসহায় চিকিৎসকরাও।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন,  রোগীতে সয়লাব! বেড পর্যন্ত খালি নাই, ভয়াবহ অবস্থা। মশা নিয়ন্ত্রণ না করতে পারেন রোগীর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।   
অন্যদিকে, স্বাস্থ্যসচিব মো. আসাদুল ইসলাম হুশিয়ারি করে বলেন, কেউ সংকটের সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করলে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
তিনি বলেন, কোন রোগীকে ফেরত দেওয়া যাবে না না বলা যাবে না। বেসরকারি হাসপাতালকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে সাশ্রয়ী খরচে চিকিৎসা সেবা পায়। 
এবছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি সংখ্যার ছাড়িয়েছে সাড়ে নয় হাজার। বর্তমানে রাজধানীতে রোগী ভর্তি আছেন ২ হাজার ২৪২জন।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop