ksrm

মহানগর সময়সময় অনুসন্ধান: স্বামীর নামে ২ পাসপোর্ট, অভিযোগের তীর দূতাবাস কর্মকর্তা স্ত্রীর দিকে

শতরূপা দত্ত

fb tw
somoy
নিজের পদ ও ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে স্বামীর নামে দুটি পাসপোর্ট তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা শাহনাজ আক্তার রানুর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের প্রমাণও সময় সংবাদের হাতে এসেছে।
জানা যায়, দূতাবাস কর্মকর্তা শাহনাজ আক্তার রানু ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত টোকিওতে কন্স্যুলার সেকশানে কাজ করতেন তখন তার স্বামী আবু আশরাফ খায়রুল ইসলামের নামে দু’টো পাসপোর্ট তৈরী করেন। যার একটি সাধারণ পাসপোর্ট অন্যটি কূটনৈতিক পাসপোর্ট।
দূতাবাস কর্মকর্তা শাহনাজ আক্তার রানুর স্বামী আবু আশরাফ খায়রুল ইসলামের সাধারণ পাসপোর্টটি তৈরি করা হয় ২৩ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে। যেটি টোকিওর বাংলাদেশ অ্যাম্বেসি থেকে ইস্যু করা হয়। এর আগে ১১ মার্চ ২০১৪ তারিখে তার নামে একটি কূটনৈতিক পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে।
 
অর্থাৎ, কূটনৈতিক পাসপোর্টটি থাকা অবস্থাতেই তিনি আরেকটি সাধারণ পাসপোর্ট করেন। সাধারণ পাসপোর্ট তৈরির পরও তিনি কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেন নি। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে তিনি কূটনৈতিক পাসপোর্ট দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসার আবেদন করেন। 
অথচ একই সাথে দুটো পাসপোর্ট ব্যবহার করা বাংলাদেশ পাসপোর্ট নীতিমালা ১৯৭৪-এর ৯ (১) উপ-অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনবিরোধী। পাসপোর্ট নীতিমালা ১৯৭৪-এর ৯ (১) উপ-অনুচ্ছেদটিতে বলা হয়েছে-Issue of additional passport or travel document – (1) Subject to sub rule (2), a person holding a passport or travel document shall not be entitled to another passport or travel document unless he surrenders the passport or travel document held by him.
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তার এধরনের আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে বলে মনে করেন মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তাই। সূত্র জানায়, এই অনৈতিক বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত হওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি। কোন অজ্ঞাত ক্ষমতার ছত্রছায়ায় এধরনের বড় বড় অনিয়ম-দুর্নীতি করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী। অথচ সামান্য কারণে বা অনেক সময় অকারণে যে কারো বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দিয়ে দেয়ার নজির রয়েছে এই মন্ত্রণালয়ে।
সম্প্রতি অফিস সহায়ক পদে কর্মরত এক কর্মচারীকে বিভাগীয় মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মচারী জানান, তার জন্য বরাদ্দকৃত বাসায় উঠতে গিয়ে দেখেন সেখানে অন্য একটি পরিবার আগে থেকেই বসবাস করছে। বিভিন্নস্থানে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা করতে না পেরে তিনি তার সরকারি বাসা বরাদ্দ বাতিলের আবেদন জানালে, তিনি অবৈধভাবে বরাদ্দকৃত বাসা অন্য কাউকে হস্তান্তর করেছেন, এই অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রজু করা হয়। এই ধরনের ঘটনা কর্মচারীদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুন্ন করে বলে মনে করেন এই অভিযুক্ত।

২০১৩ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিগ্যাল এফেয়ার্স অনুবিভাগ চালু হওয়ার পর থেকে বিভাগীয় মামলার সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন এখানকার একাধিক সূত্র। লিগ্যাল এফেয়ার্স অনুবিভাগ গঠন নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছে সংশয়। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, একটি মন্ত্রণালয়ে একটি নতুন অনুবিভাগ খুলতে হলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগে। এক্ষেত্রে এই ধরনের অনুমোদন নেয়া হয়েছে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop