বাণিজ্য সময়নিয়ন্ত্রণে আসেনি আদা-রসুনের দাম

সময় সংবাদ

fb tw
রাজধানীর পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকলেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না আদা ও রসুনের দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে এই দুই নিত্যপণ্যের দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫ টাকা। পাইকাররা বলছেন, আমদানিকারকরা আদা-রসুনের সরবরাহ কমিয়ে দেয়ায় দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে ঈদের আগে চড়া মসলার বাজারে কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা।
গেল কয়েকদিনে সরকারের নানা তদারকিতে পাইকারি বাজারে পেয়াজের দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। বর্তমানে দেশি পেয়াজ প্রতিকেজি ৩৩-৩৪ টাকা আর আমদানি করা পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৪-২৬ টাকা কেজি দরে।
তবে গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়তে থাকা আমদানি করা আদা ও রসুনের দর আরো বেড়েছে। সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ১৫ টাকা বেড়ে আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা আর আদা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। পাইকাররা বলছেন কোরবানির ঈদের আগে আদা-রসুনের বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়। কিন্তু আড়তগুলোতে গেল সপ্তাহ থেকে আদা-রসুনের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে দেশে মসলার পর্যাপ্ত মজুদ আছে। সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তারপরও আন্তর্জাতিক বাজারে দামবৃদ্ধির অজুহাতে চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে সবধরনের মসলা। বাজারে এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২৩০০-২৭০০ টাকা। দারুচিনি ৩৩০-৩৯০টাকা; জয়ত্রী ১৮০০-১৯০০ টাকা। জিরা বিক্রি হচ্ছে ৩৩০-৩৯০ টাকায়।
চালের বাজারে মিনিকেট প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা; আটাশ ৩০-৩২ টাকা আর মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ২৬-২৮ টাকা কেজি দরে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop