পশ্চিমবঙ্গকাশ্মীর ইস্যুতে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে মমতার রাজ্যেও

সুব্রত আচার্য

fb tw
somoy
কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের অন্য রাজ্যগুলোর মতোই উত্তাপ ছড়িয়েছে বাংলাদেশ লাগোয়া প্রতিবেশী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও। রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বও মমতার এই সমালোচনাকে গুরুত্ব দিতে রাজি নয়।
ওদিকে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু হয়েছে। আর জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ যারা জীবিকার জন্য সিটি অফ জয়- কলকাতায় থাকেন, তারা কোনওভাবে মেনে নিতে পারছেন না এই সিদ্ধান্ত।
সোমবার সকাল ১১টায় লোকসভায় ঐতিহাসিকভাবে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য এবং পরবর্তীতে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫-এ ধারা রদ-এর সেই প্রস্তাবনা পাশ হওয়ার মধ্যদিয়ে জম্মু-কাশ্মীর ভাগ হয়ে দুটি কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।
দেশ জুড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনার আঁচ পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যেও। রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন দক্ষিণ ভারত সফরে যাওয়ার আগে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন এবং কাশ্মীরের গ্রেফতার হওয়া সিনিয়র নেতাদের মুক্ত করার আহ্বান জানান।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা এই বিলের সমর্থন করি না। আমরা এর তীব্র বিরোধীতা করছি। মমতা বলেন, সংবিধান না মেনেই এই বিল পাশ করা হয়েছে। এটা গণতান্ত্রিকভাবেও হয়নি।
যদিও মমতার এই দাবিকে নাকচ করে উল্টো আক্রমণ করেছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।
বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেছেন, বিজেপি রাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষের স্বার্থ দেখেই বিল পাশ করেছে। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধীদের দমন পীড়নের জন্য বিল পাশ করে। মমতার এই মন্তব্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার কথাও জানান ওই বিজেপি নেতা।
তবে প্রদেশ কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্র কিন্তু বিজেপি-তৃণমূলকে এই ভাগাভাগির রাজনীতির অংশীদার বলে মন্তব্য করেন। কংগ্রেস নেতা বলেন, কোনও দিন বাংলা থেকে দার্জিলিংও ভাগ হয়ে যেতে পারে। তাই এর প্রতিবাদ করা প্রয়োজন। সোমেন মিত্র মনে করেন, দুটো রাজনৈতিক দলের মধ্যেই ভাগ করার রাজনীতির মিল আছে। বিজেপি দেশ ভাগ করছে আর তৃণমূল রাজ্য ভাগ করতে চাইছে।
কলকাতা এপিডিআর নামের একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে আজ প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ।
কলকাতায় নানা কারণে যেসব কাশ্মীরের মানুষ বসবাস করেন তারাও কোনওভাবেই সরকারের সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না। কাশ্মীরে চলছে কারফিউ। ১৪৪ ধারার সঙ্গে সব ধরণের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। পরিবারের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ না করতে পেরে অনেকেই বিনিদ্র রাত কাটাচ্ছেন বলে দাবি করেন। আর একই সঙ্গে সরকারের এই সিদ্ধান্ত কাশ্মীরের মানুষের আবেগবিরোধী বলেও মনে করেন অনেকেই।
এদিকে কাশ্মীর ইস্যুতে আগামী দিনগুলোতে যে বড়সড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসাবে বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধীরা হাতিয়ার করবেন, সেটা কিন্তু আর বলার অপেক্ষা রাখে না

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop