খেলার সময়'যিনি ক্যাসিনোতে জুয়া খেলেন, তিনি ম্যাচও পাতাতে পারেন'

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
নৈতিকভাবে দুর্নীতিগ্রস্থ কাউকে জাতীয় দলের কোনো দায়িত্বেই রাখা উচিৎ না। এমন মন্তব্য করেছেন ক্রীড়া সংগঠক ও জাতীয় দলের সাবেক ম্যানেজার তানভীর মাজহার তান্না। শ্রীলঙ্কা সফর চলাকালীন ভারপ্রাপ্ত কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনের ক্যাসিনো যাওয়ার ঘটনা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন জাতীয় দলের দায়িত্ব পালনের সময় কোচ কোনো অনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত হলে তার প্রভাব পড়ে খেলোয়াড়দের উপরও। ভক্তদের দাবি জাতীয় দল সংক্রান্ত কোনো দায়িত্বেই রাখা উচিৎ না সুজনকে।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের পরিচিত মুখ খালেদ মাহমুদ সুজন। নানা সময় নানা কারণে যিনি আসেন খবরের শিরোনামে। হোক সে নেতিবাচক কিংবা ইতিবাচক। স্টিভ রোডসের বিদায়ের পর, আবারো আসেন আলোচনায়। ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে দলের সঙ্গে যান শ্রীলঙ্কায়। সেখানে গিয়ে পুরনো অভ্যাসটা আবারো মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। বিসিবির জার্সি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান স্পোর্টজ অ্যান্ড স্পোর্টজের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যান ক্যাসিনোতে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় ভিডিওটি। সব মহলেই সমালোচনার মুখে পড়েন সুজন। শ্রীলঙ্কার দলের ভরাডুবির অন্যতম কারণও যে তার শৃঙ্খলাহীনতা, তাও বলেন অনেকেই।
শুধু এটাই না, সুজনের এক অঙ্গে বহু রূপ। বিসিবি পরিচালক হিসেবে বেশ কয়েকটি কমিটিতে থাকার পাশাপাশি, তিনি আবাহনী ও ঢাকা ডায়নামাইটসের কোচ। বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমিরও হেড কোচ। এক সঙ্গে এত দায়িত্বে থাকা নিয়েও হয়েছে সমালোচনা। কিন্তু নৈতিকভাবে তা কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য না, বলছেন তানভির মাজহার তান্না। তিনি বলেন, একজন মানুষ যদি একটা ক্লাবের কোচ হন, সেই তিনি আবার বিসিবির পরিচালক ম্যানেজার এবং জাতীয় দলের কোচ। এটাতো নৈতিক দুর্নীতি। এটা তিনি করতে পারেন না।
এদিকে কোচের এমন আচরণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে দলের ওপর। আর সমর্থকদেরও দাবি জাতীয় দল সম্পর্কিত কোনো দায়িত্বেই রাখা উচিৎ না সুজনকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক  ড এ কে এম রেজাউল করিম বলেন,  'এটা খুবই নৈতিক স্খলন জনিত বিষয়। এটা দলের ওপর প্রভাব ফেলে। আপনি জুয়া খেলছেন মানেই আপনার খেলার প্রতি খেলোয়াড়দের প্রতি মনোযোগ নেই। এটার প্রভাব খেলার ওপর পরবে।'   
সমর্থকরা বলেন, 'ক্যাসিনো মানেই জুয়া খেলা। ক্রিকেটেও তো জুয়া খেলার ট্রেন্ড চালু আছে। উনিতো ম্যাচও পাতাতে পারেন। এই ধরনের একজন মানুষের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক শেষ করায় ঠিক হবে।'  
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর বোর্ডের সাবেক প্রধান সাবের হোসেন চৌধুরী মন্তব্য করেন দলের ভরাডুবির কারণ অনুসন্ধান করে, জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিৎ সম্পৃক্ত সবাইকেই। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, বিসিবিতে এই জবাবদিহিতা না থাকার কারণেই, জন্ম হচ্ছে নতুন নতুন বিতর্ক।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop