আন্তর্জাতিক সময়ভারতে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ২শ’ ছাড়িয়েছে, গৃহহীন ১২ লাখ

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার রাজ্যে চলমান বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ২শ' তে। এসব রাজ্যে বন্যা কবলিত হয়েছেন প্রায় ১২ লাখ মানুষ। 
উত্তরাখন্ড এবং জম্মু-কাশ্মীরেও ভারী বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট ভূমিধসে অন্তত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। 
এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা রাজ্যেও প্রবল বৃষ্টিপাতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম। 
এদিকে, চীনের পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় 'লেকিমা'র আঘাতের পর, এর প্রভাবে নতুন করে আরও কয়েকটি প্রদেশ ও শহরে ভারী বৃষ্টিপাতসহ প্রতিকূল আবহাওয়া বিরাজ করছে।
ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৪ রাজ্যে চলমান বন্যায় সোমবারও অব্যাহত ছিল উদ্ধার তৎপরতা। এতে, কেবল কেরলাতেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১শ'র কাছাকাছি। বাকি তিন রাজ্যেও মৃতের সংখ্যা শতাধিক।
কেরালায় প্রবল বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যার পাশাপাশি ভূমিধসে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মালাপ্পুরাম এবং ওয়ানাড় জেলায়। এসব অঞ্চলে এখনও অন্তত অর্ধশত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। 
এছাড়াও, মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের অন্তত ৬টি জেলায় জারি রয়েছে মাঝারি সতর্কতা বা অরেঞ্জ অ্যালার্ট। এরইমধ্যে, ওয়ানাড় জেলার বন্যা কবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন এখানকার লোকসভা আসনের সদস্য কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
এছাড়াও, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের বেশ কিছু অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে অধিকাংশ এলাকায়। রাজ্যগুলোতে নিখোঁজদের সন্ধানে এখনও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো। নতুন করে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে বন্যা কবলিতদের। কর্ণাটকে বন্যায় গৃহহীন প্রত্যেক পরিবারকে ৫ লাখ রুপি করে অর্থ সহায়তা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদিইয়ুরাপ্পা।
উত্তরাখন্ড এবং কাশ্মীরেও প্রতিকূল আবহাওয়া বিরাজ করছে। অব্যাহত ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধসে উত্তরাখণ্ডের চামোলি এবং কাশ্মীরের রেসাই জেলায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ভারী বৃষ্টিপাত দেখা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশায়ও। কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে আকস্মিক বন্যাও।
এদিকে, চীনের পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় লেকিমা দেশটির অন্তত ৯টি প্রদেশ এবং শহরে তাণ্ডব চালানোর পর নতুন করে এর প্রভাবে শ্যানডং প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। 
এতে, আকস্মিক বন্যাও দেখা দিয়েছে কোথাও কোথাও। নষ্ট হয়ে গেছে ১ লাখ ৭৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল। ধ্বংস হয়ে গেছে অন্তত ৭শ ঘরবাড়ি। 
এর আগে, শনিবার, ঝেঝিয়াং প্রদেশের উপকূলে আঘাতের পর সোমবার দ্বিতীয় দফায় এটি আঘাত হানে শ্যানডং উপকূলে। 'লেকিমা' এ বছরের ৯ম শক্তিশালী ঝূর্ণিঝড়। এতে, এখন পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে চীনের প্রায় ১৭ লাখ মানুষকে। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop