আন্তর্জাতিক সময়ভারতে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২৫

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চার রাজ্যে চলমান বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ২২৫ এ। এর মধ্যে কেবল কেরালাতেই মৃত্যু হয়েছে ৯১ জনের। এছাড়াও, এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৫৯ জন। অন্তত দুটি জেলায় জারি করা হয়েছে 'রেড অ্যালার্ট' বা সর্বোচ্চ সতর্কতা। অন্যদিকে, কর্ণাটকে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। এখনও নিখোঁজ আরও অন্তত ১৫ জন।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ১ হাজার কোটি রূপি অর্থ সহায়তা চেয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদিইয়ুরাপ্পা। এছাড়াও, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরাখন্ডেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চার রাজ্য কেরালা, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরাখন্ডের চলমান বন্যা এবং বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসের ঘটনায় মঙ্গলবারও অব্যাহত ছিল উদ্ধার অভিযান। কিছু কিছু এলাকায় বন্যা পরস্থিতির উন্নতি হলেও, অধিকাংশ এলাকাতেই পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।
একজন বলেন, বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার কেরালা রাজ্যে মালাপ্পুরাম এবং কোজিকোড়েতে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা 'রেড অ্যালার্ট'। এছাড়াও, ইদুক্কি, থ্রিসুর, পালাক্কাড়, ওয়ানাড়, কান্নুর এবং কাসারগড়ে জারি করা হয়েছে মাঝারি সতর্কতা বা 'অরেঞ্জ অ্যালার্ট'। এখনও পানিবন্দী রাজ্যের কয়েক লাখ মানুষ। বন্যা কবলিতদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এরইমধ্যে ৭৫ লাখ রুপি অর্থ সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কর্ণাটক রাজ্যের কিছু এলাকায় বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও, অধিকাংশ অঞ্চলেই অপরিবর্তিত রয়েছে পরিস্থিতি। রাজ্যটিতে এ পর্যন্ত সরিয়ে নেয়া হয়েছে কবলিত প্রায় ৭ লাখ মানুষকে। এদের মধ্যে অন্তত ৪ লাখকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রে। বন্যা কবলিতদের উদ্ধারে জাতীয় দুর্যোগ মেকাবিলা সংস্থার পাশাপাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বিমান বাহিনী। বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণেও কাজ করে যাচ্ছেন তারা।
একজন বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা বেশ কিছু কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছি। যদিও, আমাদের পাইলটরা বেশ দক্ষ এবং সাহসী। দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করেই আমরা বন্যা কবলিতদের উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছি।
এদিকে, মহারাষ্ট্রে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। যদিও, এখনও পানিবন্দী অধিকাংশ জেলা। রাজ্যের কয়েক লাখ গৃহহীনের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবীরা। যদিও, প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ পৌঁছে দিতে বেগ পেতে হচ্ছে তাদের।
এছাড়াও, উত্তরাখন্ড, ওড়িশা, হরিয়ানা রাজ্যেও গেল কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা এবং ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। অব্যাহত রয়েছে উদ্ধার তৎপরতা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop