আন্তর্জাতিক সময়হংকং বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর রাতভর সংঘর্ষের পর অবশেষে স্বাভাবিক হয়েছে হংকং বিমানবন্দরের কার্যক্রম। বুধবার সকাল থেকেই নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের ফ্লাইট ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। এর আগে, মঙ্গলবার বিমানবন্দরে চলমান অচলাবস্থার মধ্যেই পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে হংকং প্রশাসনকে সংযত আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হংকং পরিস্থিতিকে ভয়াবহ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
অপরাধী প্রত্যর্পণ বিল বাতিল ও গণতন্ত্রের দাবিতে দশ সপ্তাহ ধরে লাগাতার বিক্ষোভের মধ্যেই মঙ্গলবার হংকং এয়ারপোর্টে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশকে লক্ষ্য করে পানির বোতলসহ তাদের সঙ্গে থাকা বিভিন্ন জিনিস ছুড়ে মারে তারা। তবে পুলিশের দাবি আহত এক ব্যক্তিকে সেবা দেয়ার উদ্দ্যেশ্যেই বিমান বন্দরে প্রবেশ করেছিলেন তারা। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। রাতভর সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি পদক্ষেপের বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। আন্দোলন দমাতে সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েনের কথা স্বীকার করার কয়েক ঘণ্টা পরই মূল চীনের নাগরিক ও আন্ডারকভারে থাকা এক পুলিশকে আটক করে বিক্ষোভকারীরা। তাদের কাছ থেকে আহত অবস্থায় ঐ পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে হংকংয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা।
এর আগে, সোমবারের গণ আন্দোলনের মুখে বন্ধ ঘোষণা করা হয় বিমান বন্দরের কার্যক্রম। একদিন পর মঙ্গলবার পুনরায় বিমান বন্দর চালু হলেও বাতিল করা হয় দেড়শ'র বেশি ফ্লাইট। বিক্ষোভকারীদের অবস্থান কর্মসূচির কারণে আবারো বন্ধ হয়ে যায় বিমান বন্দর।
সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর রাতভর সংঘর্ষের পর বুধবার স্বাভাবিক হয় হংকং বিমানবন্দরের কার্যক্রম। সকাল থেকেই নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের ফ্লাইট ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। তবে, সহিংস বিক্ষোভের কারণে মঙ্গলবার শতাধিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এখনও বিলম্বিত কিংবা বাতিল হচ্ছে বেশ কিছু ফ্লাইট। একইসঙ্গে, বিক্ষোভ দমনে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দর এলাকা এবং এর অভ্যন্তরে যাত্রী ছাড়া সাধারণ প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।
হংকং পুলিশ এক কর্মকর্তা বলেন, আন্দোলনকারীদের সহিংসতার কারণে অনেক নিরীহ মানুষ ও পর্যটক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। শুধুমাত্র সহিংস আন্দোলন ঠেকানোর জন্যই আমরা আমাদের ফোর্স ব্যবহার করছি। আমরা চাইনা কেউ হতাহত হোক। আশা করি সবাই শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমাদের সহায়তা করবেন।
হংকংয় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি সহিংস আন্দোলনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। একইসঙ্গে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংযত আচরণ করতে হংকং প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান সংস্থার মানবাধিকার কমিশনের প্রধান মিশেলে ব্যাশেলে।
এদিকে হংকংয়ের চলমান সহিংস আন্দোলনকে ভয়াবহ আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কোন রক্তপাত ছাড়াই আন্দোলনকারীরা তাদের স্বাধীনতা পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop