বাণিজ্য সময়ট্যানারি মালিকদের কাছে কোটি কোটি টাকা বকেয়া ব্যবসায়ীদের

সময় সংবাদ

fb tw
প্রতিবছর ট্যানারি মালিকদের কাছে আড়ৎদার ও চামড়া ব্যবসায়ীদের বকেয়া থাকছে কোটি কোটি টাকা। শুধুমাত্র চট্টগ্রামেই গত বছরের বকেয়া ৩০ কোটি টাকার বেশি। এতে লোকসানের মুখে ব্যবসা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন কেউ কেউ। আবার অনেকের অভিযোগ, পাওনা পরিশোধে টালবাহানার পাশাপাশি কখনো হয়রানি করছে ট্যানারি মালিকরা। 
চট্টগ্রামের গিয়াস আড়তের মালিক গিয়াস উদ্দীন। ঢাকার ফেন্সি ট্যানারি মালিকের কাছে বকেয়া রয়েছে ৭১ লাখ টাকা। রুজি লেদার থেকে ১১ লাখ, লাকি ট্যানারি থেকে ১০ লাখ আর বাংলা ট্যানারির কাছ থেকে পান ২ লাখ টাকা। ২০১৫ থেকে ১৮ পর্যন্ত ৩ বছরে তার বকেয়া ৪ ট্যানারির কাছে ৯৩ লাখ টাকা। বকেয়া টাকা না পাওয়ায় বাপ দাদার চামড়া ব্যবসা ছেড়ে এখন ছোট্ট একটি দোকান নিয়ে ব্যবসা করেন তিনি। 
গিয়াস উদ্দীন বলেন, 'ঢাকায় আমার প্রায় ৯০ লাখ টাকা বাকি। বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন তিনি যদি সদয় হয়ে টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন তাহলে যারা আমার কাছে টাকা পায় তাদের টাকা শোধ করতে পারবো।'
তার মতো কয়েকশো আড়ৎদার বকেয়া টাকা না পেলেও কোন রকমে টিকে আছে এ ব্যবসায়। তাদের মধ্যে শিল্পকে টিকিয়ে রাখা নিয়ে রয়েছে নানা দুঃশ্চিন্তা। 
ব্যবসায়ীরা বলেন, উনারা আমাদের বকেয়া টাকা দেয়নি। যা দেয় তা দিয়ে পরিবারের ভরণ পোষণ হয়নি।  
আড়ৎদাররা বলছেন, বিশ্বাস নিয়ে তাদের দোকানের প্যাডকে চালান আর বিল বানিয়ে ঢাকার ট্যানারি মালিকদের সাথে ব্যবসা করেন তারা। কিন্তু সেই বিশ্বাসই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য। টাকা চাইলে নানা হয়রানি করে ট্যানারি মালিকরা। 
আড়ৎদাররা বলেন, 'উনারা টাকা দেয় না। চেক দেয় তাতে ব্যাংকে গেলে পাওয়া যায় না। উনাদের বলবো আপনারা চামড়া নেন। কিন্তু আমাদের টাকা ফেরত দেন। ট্যানারি মালিকরা টিভিতে বলছেন চামড়া কিনবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কারোর সঙ্গে ওরা যোগাযোগ করেন নাই।'
চট্টগ্রামে আড়ৎদার সমিতির ১২০ জনসহ মোট ২৫০ জন আড়ৎদার রয়েছেন। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop