মহানগর সময়শরীরে ট্যাটু আঁকায় ক্যানসারের ঝুঁকি

রোজিনা রোজী

fb tw
শরীরে উল্কি আঁকা বা ট্যাটু করানোর বিষয়টি আজকাল বাংলাদেশেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর এ কারণেই রাজধানীতে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি ট্যাটু স্টুডিও বা পার্লার। তবে কিছু কিছু ট্যাটু ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় বলে জানালেন চিকিৎসকরা। 
ট্যাটু এখন হালের ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখনকার তরুণরা অনেক বেশি আগ্রহী ট্যাটু করার প্রতি। একটা সময়ে খেজুর কাঁটা আর গাছের রস দিয়ে উল্কি করা হতো। সেই উল্কিই আজ ট্যাটুর আদলে এ দেশের তরুণ তরুণীদের কাছে ধরা দিয়েছে ফ্যাশন হিসেবে। আর তাই নিজেকে একটু আলাদা করতেই ট্যাটু করছেন অনেকে।
ব্যক্তিগতভাবে কিংবা স্টুডিওতে ট্যাটু আঁকার কাজ করেন শিল্পীরা। অস্থায়ী ট্যাটু প্রতি স্কয়ার ইঞ্চি ২০০ টাকা থেকে শুরু হলেও স্থায়ী ট্যাটু শুরু হয় দু হাজার টাকা থেকে। ডিজাইন ও আয়তনের ওপর নির্ভর করে টাকার পরিমাণ।
ট্যাটু দুই ধরনের। অস্থায়ী এয়ারব্রাশ ট্যাটু, অনেকটা তুলিতে কালি লাগিয়ে ছবি আঁকার মতো। আর স্থায়ী ট্যাটু করা হয় বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে কালিসহ সুঁচ চামড়ার ভেতরে ঢুকিয়ে। তবে আজকাল ট্যাটু বিশেষ লেজারের মাধ্যমে তুলেও ফেলা যায়।
ট্যাটু শিল্পীরা বলেন, ১৮ বছরের নিচে কাউকে ট্যাটু করান না তারা। নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই ট্যাটু করার প্রবণতা বাড়ছে বলে জানান তারা।
যাদের বয়স কম, যাদের ডায়াবেটিস, অ্যালার্জি বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা আছে তাদেরকে ট্যাটু না করার পরামর্শ দিলেন চিকিৎসকরা। সব ট্যাটু সব মানুষের জন্য সহনীয় নয় বলেও মন্তব্য করেন তারা।
অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার বলেন, ট্যাটুতে ইনফেকশন হতে পারে, সেখানে আলসার হতে পারে, কিছু কিছু ট্যাটুর রং শরীরে থেকে যায় এবং কিডনিতে, লিভারে সংকট তৈরি করতে পারে। 
ছয় সাত বছর আগে বাংলাদেশে টুকটাক ট্যাটু করার চল শুরু হলেও পেশাদারভাবে শুরু হয় ২০০৮ সালে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop