মহানগর সময়মিয়ানমারের পরে ভারত থেকেও আসছে ইয়াবা

সময় সংবাদ

fb tw
শুধু মিয়ানমার নয় ভারত থেকেও আসতে শুরু করেছে ইয়াবা। আর এক্ষেত্রে পাচারকারীরা ব্যবহার করছে আসাম-রৌমারী-ঢাকা রুট। রাজধানীর রামপুরা থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক ভারতীয় নাগরিকসহ তিনজনকে গ্রেফতারের পর এমন তথ্য পাওয়ার দাবি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের। পুলিশ বলছে, মিয়ানমার সীমান্তে কড়াকড়ির কারণেই ভারত হয়ে এই মাদক আনা হচ্ছে ঢাকায়। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, বলছেন অপরাধ বিশ্লেষকরা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, ২০১৭ সাল থেকে ইয়াবাসহ সকল মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান শুরুর পর টেকনাফ কক্সবাজারে ইয়াবার প্রচলিত রুট বদলে ফেলেছে মাদক কারবারীরা- এমন ধারণা করছিলেন তারা। কারণ বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে কড়া নজরদারির পরও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে ধরা পড়ছিলো ইয়াবার বড় বড় চালান। অবশেষে সত্যি হলো ধারণা।
রাজধানীর রামপুরা থেকে আব্দুস সবুর নামে ভারতের আসামের কুকুরমারা গ্রামের এক নাগরিকসহ তিনজনকে গ্রেফতারের পর ইয়াবা বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়ার দাবি গোয়েন্দা পুলিশের। তারা বলছে, সবুর কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার বেশকটি চালান বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। বাংলাদেশে তা গ্রহণ করেছে জাকির হোসেন। এবারে সে বাংলাদেশে আসে মূলত ইয়াবার বাজার যাচাই করতে। এক্ষেত্রে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়েই মানিকচর- রৌমারী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আসে। প্রতি পিস ইয়াবা আব্দুস সবুর ভারতে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় কেনে এবং বাংলাদেশি মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে ৬৫ টাকায় বিক্রি করে।
ইয়াবা পাচারকারী একজন বলেন, আমি জাকিরের বাসায় থাকতাম। সেখানে বসে এই ট্যাবলেটের ব্যবসা করতাম।
ইয়াবা পাচারের এই নতুন পথ নিয়ে শঙ্কার কথা বলছে গোয়েন্দা পুলিশও। প্রয়োজনে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তথ্য বিনিময় করা হবে বলেও জানায় পুলিশ।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ উপ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, এটা আশংকের বিষয়। আমাদের সীমান্তের যে বাহিনীরা আছেন তারা অবশ্যই সতর্ক হবেন। এছাড়া আমরাও মেসেজ আদান-প্রদান করবো।  
অপরাধ বিশ্লেষকদের মত, একদিকে কড়াকড়ি হলে অপরাধীরা অন্য পথ খুঁজে নেবে সেটিই স্বাভাবিক। তাই এ ব্যাপারে নজরদারি জোরদার করা উচিত এখনই।
অপরাধ বিশ্লেষক বলেন, শুধুমাত্র এক জায়গায় নজরদারী বাড়ালে হবে না। যতগুলো সীমান্ত মানে আকাশ পথেও নজরদারী বারাতে হবে।
তিনি বলেন মাদক বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের শূন্যসহশীলতা নীতির বাস্তবায়নে সকল ক্ষেত্রেই নিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করলেই মাদকের কবল থেকে মুক্তি সম্ভব।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop