বাংলার সময়ডেঙ্গু পরীক্ষায় রোগীদের বাইরে পাঠানোর অভিযোগ সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে

সময় সংবাদ

fb tw
বরগুনায় সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু শনাক্তের পর্যাপ্ত কিট থাকা সত্ত্বেও অভিযোগ রয়েছে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হচ্ছে রোগীদের। আর তারা একদিকে সরকার নির্ধারিত ফি'র চেয়ে বাড়তি টাকা নিচ্ছে, অন্যদিকে বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট দিচ্ছে রোগীদের। এতে বিভ্রান্তিতে পড়া সাধারণ মানুষ এখন জ্বরে আক্রান্ত হলেও ছুটছেন দূর দূরান্তে। অবশ্য ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু শনাক্তের পরীক্ষা না করে ক্লিনিকে পাঠানো রোগীসহ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের রুমে সময় সংবাদ। ক্লিনিকে যাওয়ার নির্দেশ দানকারী নার্সকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়কের দাবি এ ঘটনা এই প্রথম।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সোহরাব হোসেন বলেন, ডেঙ্গু সংক্রান্ত কোনো পরীক্ষা নেওয়ার জন্য এখন আর বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
অবশ্য হাসপাতালেই একাধিক রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, তাদেরকে ডেঙ্গু শনাক্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।
রোগীদের সাথে কথা বলার ফাঁকে কৌশলে নার্সের ড্রেস পাল্টে বোরখা পরে কেটে পড়ার চেষ্টা চালান অভিযুক্ত নার্স। তিনি ডাক্তারের ওপর দোষ চাপালেও ডাক্তার বলছেন নার্সের কথা।
এদিকে ক্লিনিকে যাওয়া রোগীরা আছেন বিপাকে। আড়াই বছরের শিশু মারিয়া কাতরাচ্ছে জ্বরে, দুটি ডায়াগনস্টিকে বাড়তি ফি দিয়ে পরীক্ষা করালেও রিপোর্ট এসেছে ভিন্ন ভিন্ন। একই দিনে মাত্র ঘণ্টাখানেকের ব্যবধানে রংধনু নেগেটিভ রিপোর্ট দিলেও পজিটিভ দিয়েছে শরিফ এক্সরে নামের ডায়াগনস্টিক সেন্টার। একই অবস্থা রাজ্জাক নামের এই ব্যক্তির, ৫ থেকে ৬ টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকে পরীক্ষা করিয়ে রেজাল্ট পেয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন।
এমন অবস্থায় জেলাবাসী ডেঙ্গু শনাক্ত ও এর চিকিৎসা নিয়ে পড়েছেন মহাফাঁপড়ে।
অবশ্য হাসপাতালে ডেঙ্গু শনাক্ত না করার বিষয়টি সিভিল সার্জন ও অদক্ষভাবে ডেঙ্গু শনাক্তকারী ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।
বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ূন শাহিন বলেন, রোগী কেন বাইরে পাঠানো হবে সে ব্যাপারে তত্ত্বাবধায়কের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, অন্যায়ভাবে ও অদক্ষভাবে কেউ কিছু করে থাকলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এখন পর্যন্ত বরগুনা জেলায় ২৩৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে এখনও ডেঙ্গু শনাক্তের জন্য ৪৯৩ টি কিট রয়েছে। 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop