মহানগর সময়নতুন শর্তে সংশোধন হলো ইট উৎপাদন আইন

সময় সংবাদ

fb tw
পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদন না করলে ইটভাটার লাইসেন্স নবায়ন ও অনুমোদন বন্ধ থাকবে। এমন শর্ত যোগ করে সংশোধন করা হয়েছে ইট উৎপাদন আইন। ভাটা মলিকদের দাবি, উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও বিকল্প ইটের ক্রেতা না থাকায় এ সিদ্ধান্ত মানতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিল্পটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু প্রচারণা নয়, পোড়া মাটির ইটের বদলে ব্লক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করলে সংকট দূর হবে। 
দেশে প্রতিবছর ইট উৎপাদন হয় ১৫০০ কোটি। এগুলো তৈরির প্রধান কাঁচামাল জমির উপরিভাগের মাটি। ৭৫০০ টিরও বেশি ভাটায় মাটি সরবরাহ করতে গিয়ে ১ শতাংশ হারে উর্বর মাটি নষ্ট হচ্ছে। ভাটার প্রভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের।
সেন্টার ফর হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চের নির্বাহী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবু সাদেক পিইঞ্জ বলেন, পোড়া মাটির উৎপাদনের ধারা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে ২০৪০ সালে যখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২৪ কোটি ৫০ লাখ।তখন ৫ কোটি মানুষের খাবার এদেশ থেকে আমরা উৎপাদন করতে পারবো না।
এ ক্ষতি থেকে বাঁচতে ২০২০ সালের মধ্যে পোড়া ইটের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু বিকল্প নির্মাণ সামগ্রী ও ব্যবহারকারী কোনটিই না বাড়ায় প্রক্রিয়াটি খুব একটা এগোয়নি। এদিকে, নবায়ন বন্ধ থাকায় আতঙ্কিত ভাটা মালিকরা।
ইট ভাটা বন্ধ না করে বিকল্প কি উপায়ে নির্মাণ সামগ্রি উৎপাদন করা যায় তা নিয়ে গবেষণা করছে হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট। গবেষকরা জানান, সিমেন্ট-বালুর ব্লক, ফেরোসিমেন্টের বিম-কলাম এবং পলিমাটি ও সিমেন্ট-বালু দিয়ে উপকরণ তৈরি করে সফল হয়েছেন তারা।
হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনিস্টিটিউট মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. শামীম আখতার বলেন, এই অর্থবছরে ১০ পারসেন্ট, সামনে অর্থবছরে ২০ পারসেন্ট। এবং ২০১৫ সালে বিক থেকে বেরিয়ে আসার এক দিক নিদের্শনা আমাদের দিয়েছেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, জনবহুল ও পরিবেশ বিনষ্ট হয় এমন জায়গায় ভাটার অনুমোদন দেয়া হবে না। একই জায়গায় বহুভাটা নির্মাণের ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সংশোধিত আইনে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জিয়াউল হক বলেন, আমাদের বর্তমানে যে ইটভাটা গুলো আছে, সেখানে একটা নির্দিস্ট পরিমাণে ছিদ্র যুক্ত ইট ব্যবহার করতে হবে। এখন সরকার চিন্তা করতে কি পরিমাণ ব্লক বাধ্যতামূলক ব্যবহার করবে। এবং ব্লকে উৎপাদন বাধ্যতামূলক করবে।
বিকল্প নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে ফুটপাত নির্মাণ, নদীর পাড় বাঁধাইসহ প্রাথমিক কাজ চলছে। কিন্তু ব্যবহারের সবচেয়ে বড় খাত, আবাসন শিল্পে এখন পর্যন্ত তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি। দুই এক জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে চলছে ইট মুক্ত বাড়ি নির্মাণ।
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop