বাংলার সময়রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন না হওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

সময় সংবাদ

fb tw
রোহিঙ্গাদের অনীহার কারণে প্রত্যাবাসন না হওয়ায় উৎকন্ঠার পাশাপাশি ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। সচেতন মহলের দাবি, প্রত্যাবাসন না হওয়ার পেছনে দায়ী এনজিও সংস্থাগুলো। তাই তাদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে প্রত্যাবাসন আরও কঠিন হয়ে পড়বে। তবে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার জানান, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে । 
দু'দফা চেষ্টার পরও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন না হওয়ায় ক্ষোভের পাশাপাশি চরম হতাশা বিরাজ করছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের এই জনপদে। বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয়রা জানায়, লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে গিয়ে গত দু'বছরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ হাজার একর বনভূমি, কেটে ফেলা হয়েছে অর্ধ-কোটি গাছ, দু'শতাধিক পাহাড় ও ছেড়ে দিতে হয়েছে ২০ হেক্টর কৃষি জমি।
এছাড়া বেকার হয়ে পড়েছে জেলার লক্ষাধিক শ্রমিক, বেহাল অবস্থা যোগাযোগ ব্যবস্থার, নিম্নমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা ও ছড়াচ্ছে নতুন নতুন রোগ।
একজন বলেন, প্রত্যাবাসনের তারিখ দেয়ার পর, রোহিঙ্গারা প্রত্যাবাসিত হচ্ছে না। এতে আমাদের দিন দিন উৎকণ্ঠা বেড়ে চলছে।
আরেকজন বলেন, রোহিঙ্গারা দিন দিন আরো বেপরোয়া হবে। এখন যে আইনশৃঙ্খলা আছে পরবর্তীতে তা নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।
রোহিঙ্গাদের কারণে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, অপহরণ, ধর্ষণ, চুরি, মাদক ও মানবপাচারসহ মামলা হয়েছে ৩৮০টি। তাই এদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলনের এ নেতা।
কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান বলেন, দাতা সংস্থা এবং এনজিওরা সব সময় তাদের পিছু পড়ে আছে, রোহিঙ্গারা যেন তাদের দেশে ফিরত যেতে না পারে। এজন্য বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে।
আর শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার জানান, মিয়ানমারের ছাড়পত্র পাওয়ার রোহিঙ্গাদের মতামত গ্রহণ অব্যাহত ও দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরু করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বলেন, যাদের নেয়া কথা বলা হচ্ছে, তারা যদি যেতে রাজি থাকে আমরা সব সময় প্রস্তুত আছি।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। তাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই দুই উপজেলার ৫ লাখের বেশি স্থানীয় বাসিন্দা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop