বাংলার সময়রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং স্থায়ী প্রত্যাবর্তন চায় যুক্তরাষ্ট্র

সময় সংবাদ

fb tw
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার বলেছেন, সকল রোহিঙ্গা শরণার্থীর স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবর্তন চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য মিয়ানমারের উপর ক্রমাগত চাপ অব্যাহত রেখেছেন তারা। আর এ জন্যই মিয়ানমারের সেনা প্রধানসহ নিরাপত্তা বাহিনীর অনেকের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত মিলার রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরো বলেন, বাংলাদেশ লাখ লাখ মানুষের জন্য তাদের হৃদয় এবং সীমান্ত খুলে দিয়েছে। বাংলাদেশ যা করেছে তা ব্যতিক্রমী এবং পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
     
এছাড়া তিনি তার প্রারম্ভিক বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের চলমান প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ১ লাখ ডলার প্রদানের ঘোষণা দেন।
শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের অভ্যন্তরে অবস্থিত দুর্গম দ্বীপচর নটারকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রতিবন্ধী ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে নগদ অর্থ ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনের পর আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
এর আগে তিনি সকাল ৯ টার দিকে সি-প্লেনে ব্রহ্মপুত্র নদের ছালিপাড়া এলাকায় অবতরণ করেন। এরপর স্পিড বোটে নটারকান্দিতে আসেন। এখানে প্রথমে তিনি বন্যা পরিস্হিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা কিভাবে বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ প্রচেষ্টার পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে সে বিষয়ে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন।
এরপর তিনি ইউএইচএইড এবং কেয়ারের অর্থায়নে স্থানীয় উন্নয়ন সংগঠন সলিডারিটি আয়োজিত ইমারজেন্সি ফ্লাড রেসপন্স প্রকল্পের নগদ অর্থ ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী বিতরণ কাজের উদ্বোধন করেন।
    
জেলা প্রশাসক মোছা সুলতানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সহায়তা প্রদানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউএসএইডের মিশন ডিরেক্টর ডেরিক ব্রাউন, কেয়ারের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিয়া চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান শওকত  আলী সরকার বীরবিক্রম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা, অষ্টমীরচরের চেয়ারম্যান আবু তালেব এবং সলিডারিটির নির্বাহী পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদ লালসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এখানে ২০ জন প্রতিবন্ধীর প্রত্যেককে সাড়ে ৫ হাজার ও ৮০ জন বন্যার্তকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা করে ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী দেয়া হয়।
      
সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে তিনি প্রেস ব্রিফিংয়ে যোগ দেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
     
উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের আওতায় চিলমারী ও সদর উপজেলার ১১০ জন প্রতিবন্ধীর প্রত্যেককে সাড়ে ৫ হাজার করে এবং ১ হাজার ১০০ জন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেককে সাড়ে ৪ হাজার টাকা করে এবং কাপড় কাঁচা ও গোসল করা সাবান, প্লাস্টিকের বালতি, ডিটারজেন্ট পাউডার, স্যানেটারী ন্যাপকিন, তরল এন্টিসেপ্টিক ও খাবার স্যালাইন দেয়া হচ্ছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop