মহানগর সময়কক্সবাজারে ১১ লাখ রোহিঙ্গার আশ্রয়, বাড়ছে সংঘাতের আশঙ্কা

সুজাউদ্দিন রুবেল

fb tw
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া হলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্টি হয়েছে নানা সংকট, আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে সংঘাতের। এরই মধ্যে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, কৃষি জমি দখল ও শ্রমবাজারে অস্থিরতাসহ নানা ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে রোহিঙ্গারা। দ্রুত প্রত্যাবাসন না হলে এই মহাসংকট, সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা রোহিঙ্গা প্রতিরোধ ও প্রত্যাবাসন সংগ্রাম পরিষদের। দুই বছরের এই সংকট উত্তরণে মিয়ানমারকেই পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ ও নিপীড়নের শিকার হয়ে রোহিঙ্গা ঢল শুরুর পর প্রাথমিকভাবে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বাসিন্দারাই পাশে দাঁড়িয়েছিল তাদের। মানবতার খাতিরে যতটুকু সম্বল ছিল তা দিয়েই অসহায় রোহিঙ্গাদের খাদ্য ও আশ্রয় দিয়েছিল তারা।
এরইমধ্যে বন উজাড়, কৃষি জমি দখল ও শ্রমবাজারে অস্থিরতাসহ নানামুখি সংকটের মুখে পড়েছে কক্সবাজার জেলা। অব্যাহতভাবে পাহাড় কাটার কারণে বিপর্যয়ের মুখে পরিবেশের ভারসাম্য।
সাময়িক সময়ের জন্য দেয়া আশ্রয় যে দীর্ঘমেয়াদী সংকটের তৈরি করবে হবে তা ভাবতে পারেনি স্থানীয় বাসিন্দারা। দুই বছর গড়ালেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কোন আশার আলো না দেখায় উদ্বিগ্ন, দুর্দশা আর ভোগান্তির মধ্যে থাকা কক্সবাজারবাসী।
কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে এখান বাসিন্দারা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সেই সাথে তারা অবাধে বন উজাড় করে দিচ্ছে, যে কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
 
কক্সবাজার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, রোহিঙ্গারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। আমরা সেই বিষয়গুলো মাথা রেখে কাজ করে যাচ্ছি।
বর্তমান পরিস্থিতি রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে আশংকা রোহিঙ্গা প্রতিরোধ ও প্রত্যাবাসন সংগ্রাম পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পরিষদের মাহামুদুল হক চৌধুরী বলেন, এই মহা সংকট থেকে উত্তরণের কোন উপায় দেখছি না। দিন দিন সংঘাতময় পরিস্থিতির দিকে আমরা চলে যাচ্ছি।
 
আর শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মনে করেন, মিয়ানমার এ সমস্যার সৃষ্টি করেছে, তাই সংকট উত্তরণে তাদেরকেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বলেন, আমরা তাদেরকে (রোহিঙ্গা) জীবন বাঁচানো জন্য তাদের আশ্রয় দিয়েছি। যদি তাদেরকে আশ্রয় দেয়া না হতো, তাহলে আজকে আমাদের এই চিত্র দেখতে হতো না।
নতুন ও পুরনো মিলিয়ে মিয়ানমারের ১১ লাখ ১৯ হাজার রোহিঙ্গার বসবাস এখন কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে। সীমান্তবর্তী এই দুই উপজেলার ২৮টি পাহাড়ের ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে তাদের অবস্থান।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop