আন্তর্জাতিক সময়রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যুক্তরাষ্ট্রের আহবান

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 
শনিবার দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে, সংকট সমাধানে রাজনৈতিক আলোচনার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। শান্তি প্রতিষ্ঠায় রোহিঙ্গা হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিতেরও আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন। এদিকে, রোহিঙ্গা নির্মূলের দু'বছর পর যুদ্ধ বিধ্বস্ত রাখাইনে এখনো সহিংসতার কারণে দুই লাখ মানুষ জিম্মি রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম রয়টার্স। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি ও জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের শুধু অভিযুক্ত করলেই হবে না, সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
গণমাধ্যম বলছে, রোহিঙ্গা নির্মূলের দু' বছর পর রাখাইনের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো সহিংসতা চলছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত রাখাইনে মিয়ানমারের কাছে জিম্মি প্রায় দুই লাখ মানুষ। এছাড়া সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের অজুহাতে উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইনে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়ায় সেখানে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে বলেও জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, নারীদের ধর্ষণ এবং রোহিঙ্গাদের ওপর পাশবিক নির্যাতনের জন্য জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা দেশটির সেনাবাহিনীকে দায়ী করলেও জড়িতদের বিরুদ্ধে এখনো কোন ব্যবস্থাই নেয়নি নেইপিদো। আর এটিকেই প্রত্যাবাসনের অন্যতম অন্তরায় বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে, মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা নির্যাতনের দুই বছর পর আবারো দোষীদের শাস্তি নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়। মিয়ানমারকে শান্তিপূর্ণ ও উন্নত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য বিচার ও দায়বদ্ধতা অপরিহার্য বলে জানায় ওয়াশিংটন। এছাড়া, ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মরগান অর্টাগাস। সংশ্লিষ্ট সবাইকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে, রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত মিয়ানমার সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাংয়ের পাশাপাশি দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকে এখনই বিচারের আওতায় আনার উপযুক্ত সময় বলে মনে করেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক মাহাদি হাসান। মিয়ানমার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও প্রতিবেশী বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা আশ্রয় নেয়ায় নেইপিদোর বিচার সম্ভব বলে গত বছরের সেপ্টেম্বরে রুল জারি করেন আদালত। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের পাশাপাশি ন্যায় বিচার নিশ্চিতে আইসিসির মাধ্যমে অং সান সুচিকে বিচারের মুখোমুখি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন মেহদি হাসান।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop