স্বাস্থ্যফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপসের ভয়াবহ পরিণতি!

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
কিছু খাবার দেখলেই নিজেদের সামাল দেওয়াটা কষ্টের। সেসব খাবারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য খাবারের নামগুলো হলো ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, হ্যাম, চিপস আরো অনেকগুলো। তবে দৈনিক খাদ্যেভাসের তালিকায় এ খাবারগুলো রাখা মানে ভয়াবহ পরিনতিকে ডেকে আনা।
অ্যানালস(Annals of Internal Medicine)-এ সোমবার প্রকাশিত একটি নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ভুলভাল খাওয়ার' একটি চরম পরিণতি হিসেবে অন্ধ হয়ে গিয়েছেন এক কিশোর। ওই প্রতিবেদনের মূল লেখক ডেনিজ আটান ব্রিস্টল চক্ষু হাসপাতালে ১৭-বছর বয়সী ওই কিশোরের সঙ্গে দেখা করেন। ২ বছর ধরেই দৃষ্টিশক্তির অবনতি হচ্ছিল তাঁর। তবে সবচেয়ে অবাক করে দেওয়া বিষয়টি হ'ল এই রোগীর খাদ্যাভ্যাস! প্রায় সাত বছর ধরে একই ডায়েট অনুসরণ করেছেন এই কিশোর। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই, “স্থানীয় মাছ এবং চিপসের দোকান থেকে প্রতিদিন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং প্রিঙ্গলস (কেলোগ), সাদা পাউরুটি, প্রসেসড হ্যাম স্লাইস এবং সসেজ দিয়েই জলখাবার খেত সে। অপুষ্টির লক্ষ্মণ হিসেবে প্রায়শই স্থূলত্ব, দুর্বল কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য এবং ক্যান্সারকে দেখা হয় তবে এই গবেষণায় হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে দৃষ্টিসহ স্নায়ুতন্ত্রের উপর ধ্বংসাত্মক এবং কখনও কখনও অপরিবর্তনীয় প্রভাব ফেলতে পারে এই খাদ্যাভ্যাস।
তিন বছর আগে ক্ষণে ক্ষণে ক্লান্তি দেখা দেওয়ায় ওই কিশোরের পরিবার প্রথম চিকিত্সকের কাছে নিয়ে যায় তাঁকে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোর ভুলভাল খেতেন ঠিকই, তবে তাছাড়া তেমন সমস্যা না থাকায় তাঁকে বিশেষ ওষুধ দিতে হয়নি। প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে যে তাঁর শরীরে ভিটামিন বি 12 এর মাত্রা ছিল খুব কম এবং ম্যাক্রোসাইটিক অ্যানিমিয়া (macrocytic anemia) ছিল।
১৫ বছর হতে না হতে কানে শোনার সমস্যা দেখা দেয় এবং তারপরেই দৃষ্টি সংক্রান্ত জটিলতা উপস্থিত হয়। চিকিত্সকরা নির্ধারণই করতে পারেন নি যে কী কারণে এই উপসর্গ দেখা দিয়েছে। দু'বছর ধরে দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের পরে কিশোরকে আইনত অন্ধ বলেই ঘোষণা করা হয়েছিল। অতিরিক্ত পরীক্ষায় দেখা গেছে যে তাঁর ভিটামিন বি 12 এর ঘাটতি কমেনি। হাড়ের খনিজ ঘনত্বের হ্রাসও শুরু হয়েছিল এবং শরীরে উচ্চমাত্রার দস্তা এবং নিম্নমাত্রার তামা, সেলেনিয়াম এবং ভিটামিন ডি ছিল।
নিউট্রিশনাল অপটিক নিউরোপ্যাথি এবং ভুলভাল খাবার খাওয়ার ব্যাধি সাধারণত মধ্য শৈশবে শুরু হয় এবং এতে ওজন বাড়ার মতো কিছু লক্ষ্মণ বোঝাও যায় না। নিউট্রিশনাল অপটিক নিউরোপ্যাথি ম্যালাবসার্পশন, নির্দিষ্ট ওষুধ এবং অ্যালকোহলিজমের কারণে প্রায়শই ঘটে, এটি অপটিক স্নায়ুর একটি অকার্যকরিতা।
যদি তাড়াতাড়ি ধরা পড়ে তবে চিকিৎসা সম্ভব, তবে যদি চিকিত্সা না করা হয় তবে এটি অপটিক স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতি করে এবং অন্ধত্ব ডেকে আনতে পারে। পুষ্টির ঘাটতি বেশ সাধারণ সমস্যা, তবে পুষ্টির অন্ধত্ব ততটা না।
নিউট্রিশনাল অপটিক নিউরোপ্যাথি বিষয়ে গবেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, প্রচুর পরিমাণে জাঙ্ক ফুড খেলে শারীরিক জটিলতা একতা সময়ের পরে আর আটকানো নাও যেতে পারে।
সূত্র-এনডিটিভি

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop