ksrm

বাণিজ্য সময়বাগেরহাটে পতিত জমিতে সূর্যমুখীর বাম্পার ফলন

ওয়েব ডেস্ক

fb tw
বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জের পতিত জমিতে এবার সূর্যমুখী ফুলের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনাবাদি জমিতে অল্প খরচে অধিক ফলন হওয়ায় সূর্যমুখীর চাষে দিন দিন উৎসাহ বাড়ছে কৃষকদের। স্বাস্থ্যকর ভোজ্য তেল হিসেবে বাজারে সূর্যমুখীর বীজের অধিক চাহিদা থাকায় লাভবানও হচ্ছেন তারা।
বিস্তীর্ণ ভূমিতে ছেয়ে থাকা এ ফুল কেবল অপার সৌন্দর্যই নয়, অর্থকরী ফসল হিসেবেও এর চাহিদা রয়েছে কৃষি অর্থনীতিতে। ভোজ্য তেলের উৎস হিসেবে ১৯৭৫ সাল থেকে এ ফুলের চাষ শুরু হয় বাংলাদেশে। আর এরই ধারাবাহিকতায় এবারের মৌসুমে বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জের প্রায় ৫শ' একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত অনাবাদি জমিতে সূর্যমুখী চাষে সেচ লাগে দুই থেকে তিনবার। এগারো থেকে বারো হাজার টাকা খরচে প্রতি একর জমিতে ২৫ থেকে ৩০ মণ সূর্যমুখী বীজ পাওয়া যায়। মণ প্রতি বীজ বিক্রি হচ্ছে ১২শ থেকে ১৩শ' টাকায়।
যা বিক্রি করে প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভ থাকছে চাষিদের।  অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত মোড়লগঞ্জের কৃষকরা।
বেলে দো-আঁশ মাটিতে সূর্যমুখীর উৎপাদন ভালো হওয়ায় মোড়লগঞ্জে তিন শতাধিক কৃষক এবার লাভবান হবে বলে জানালেন জেলা কৃষি কর্মকর্তা।
বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জয়নুল আবেদীন বলেন, 'সূর্যমুখীর তেল কৃষকরা তিন থেকে চার মাস সংরক্ষণ করতে পারে।  যার ফলে কৃষকরা এই আবাদের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। আগামীতে এই আবাদ চাষ আরও বাড়বে বলে আমি আশা করি।'
তেল উৎপাদন ছাড়াও হাঁস-মুরগীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে সূর্যমুখীর বীজ।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop