বাণিজ্য সময়পা দেয়া যাবে না চীনা ঋণের ফাঁদে

সময় সংবাদ

fb tw
এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বহুমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বিআরআই এ বাংলাদেশকে যুক্ত করতে প্রয়োজনীয় প্রকল্পে চীনা ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে কৌশলী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন, যেকোন চুক্তি ও সমঝোতায় বর্তমান সরকার দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানের এক হোটেলে বিআরআই এ বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তারা এ কথা বলেন।
সড়ক, রেল ও সমুদ্রপথের বহুমুখী যোগাযোগ সহযোগিতার এক মাধ্যম বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ-বিআরআই। চীনের নেতৃত্বে এশিয়ার সঙ্গে ইউরোপের যোগাযোগ সহজ করতে নেয়া হয়েছে এ উদ্যোগ। আঞ্চলিক টেলিযোগাযোগ, জ্বালানি, পর্যটনসহ বেশকিছু খাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা আছে বিআরআই এর বাস্তবায়নে। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও এ উদ্যোগের ভূমিকা আছে। তবে, বিআরআইতে যুক্ত হতে, বাংলাদেশকে হাতে নিতে হবে বেশকিছু যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, যেখানে ঋণ দেবে চীন। এই ঋণের শর্ত এবং প্রকল্প যাচাই বাছাই এ বাংলাদেশকে সতর্ক হতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সিপিডির চেয়ারম্যান ড. রেহমান সোবহান বলেন, বিআরআই এর ধারনাটি চীনের। যা বাস্তবায়নে দেশগুলোকে বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে তাদের অনুদান খুবই কম। নানা শর্তে ঋণ দেবে তারা। এ ঋণ কি কি শর্তে পাওয়া যাবে তা বাংলাদেশের জন্য জানা খুবই জরুরি। এর সাথে সম্পর্কিত অর্থনৈতিক সুবিধাগুলোও মূল্যায়ন করতে হবে। চুক্তির ক্ষেত্রে কৌসুলি হতে হবে।
দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীন বিশ্ব অর্থনীতিতে উঠে এসেছে ২য় শক্তি হিসেবে। এদিকে বড় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতও বাংলাদেশের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় ভূ- রাজনীতির ভারসাম্যও বাংলাদেশ আমলে নিচ্ছে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব। আর শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিশ্বায়নের যুগে অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে হলে বিচ্ছিন্ন থাকার সুযোগ নেই বাংলাদেশের। পারস্পরিক সহযোগিতায় বিআরআই বাস্তবায়নে সবার জন্য সুবিধাজনক অবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক বলেন, 'আমাদের নিজস্ব নীতি হলো সবগুলো ফোরামেও আমরা অংশ নেবো যদি সেগুলো দেশের জন্য কাজে লাগে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যে কোনো বিষয়ে চুক্তির সময় দেশের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছু গুরুত্ব পায় না।'
বর্তমানে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিআরআই বাস্তবায়িত হলে চীনে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির সুযোগ বাড়বে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop