ksrm

বাণিজ্য সময়‘মাংস আমদানিতে ধ্বংস হবে পোল্ট্রি-ডেইরি শিল্প’

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
অবাধে গরুর মাংস আমদানি শুরু হলে দেশের পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্প ধ্বংসের সম্মুখীন হবে। যার বিরূপ প্রভাব পড়বে গ্রামীণ অর্থনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা ও কৃষি খাতে।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ভেটেরিনারি ও ডেইরি ফার্মসহ প্রাণী সম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বক্তারা। আমদানি করা মাংসের মান পরীক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় ম্যাডকাউ রোগসহ বিভিন্ন ধরনের রোগ ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা তাদের।
নব্বইয়ের দশকে দেশে মাংসের চাহিদা পূরণে জবাই করা পশুর ৭০ ভাগ মাংস আসতো বিদেশ থেকে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে এদেশে ৫ লাখেরও বেশি খামার গড়ে ওঠায় পাল্টে গেছে সে চিত্র। এখন মাংস উৎপাদনে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে সীমিত পরিসরে।
খাত সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, ক্রমবিকাশের এই সময়ে বিদেশ থেকে অবাধে গরুর হিমায়িত মাংস আমদানি শুরু হলে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে ওঠা খামারগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। চামড়াখাতসহ সার্বিক গ্রামীণ অর্থনীতিকে বাঁচাতে মাংস আমদানির প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি তাদের।
যথাযথভাবে পরীক্ষা না করায় আমদানি করা মাংসের মাধ্যমে দেশে নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা প্রাণী সম্পদ বিজ্ঞানীদের।
বাংলাদেশ প্রাণী সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকতা ড. শরীফ আহম্মদ চৌধুরী বলেন, আমদানি হচ্ছে এটার একটা রেগুলেটরি ম্যাকানিজম সেটা নেই, এরফলে যেটা হচ্ছে এই যে মাংস আসছে এর মাধ্যমে এমন সব রোগ প্রবেশ করতে পারে, যেটা কল্পনাও করা যাবে না।
এনিমেল হেলথ কোম্পানি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা যেখানে কোয়ালিটি মাংস  এক্সপোর্ট করতে সক্ষম কেন আমাদের আমদানি করতে হবে। মাংস আমদানি হলে আমাদের পোলট্রি শিল্প, আমাদের ডেইরি শিল্প যা আছে সবগুলো বাধাগ্রস্ত হবে। যা বিনিয়োগ আছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী যা আছে সবাই বেকার হয়ে যাবে। পাশাপাশি আমাদের সামাজিক নিরাপত্তা ও খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।
পশু খাদ্য আমদানিতে শুল্ক কমালে বর্তমানের চেয়ে কম দামে গরুর মাংস বিক্রি করা সম্ভব হবে বলে জানান উদ্যোক্তারা।
বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইমরান বলেন, সরকারের কাছে আমাদের নির্দিষ্ট কিছু চাওয়া পাওয়া আছে। যে দানাদার খাদ্য আমদানি করা হচ্ছে,সেক্ষত্রে শুল্ক নেয়া হয় এবং সেটা একেবারে তুলে দেয়া। প্রয়োজনে ভতুর্কি দেয়া এবং বন্দরে পশুখাদ্য পণ্য খালাসে দ্রুত ব্যবস্থা করা।
হিমায়িত মাংস আমদানি হলে শুধু দেশীয় খামারিরা বেকার হবে না প্রাণীসম্পদ খাতের ২৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হুমকির মুখে পড়বে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop