বাংলার সময়বনকর্মকর্তাদের সঙ্গে সখ্যতায় নৌকা ফিরে পেলেন কাঁকড়া শিকারীরা

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
পূর্ব সুন্দরবন চাদঁপাই রেঞ্জের নিষিদ্ধ খালে চলছে কাঁকড়া আহরণের মহা উৎসব। আটকের পর আবার ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বনের মরা পশুর ক্যাম্প ইনচার্জ মনির খান ও জোংড়া অফিসের এনামুল’র সঙ্গে রয়েছে নিষিদ্ধ খালে কাকড়া আহরণকারীদের সাথে সখ্যতা। 
এর ফলে মৎস্য ও কাঁকড়া আহরণ বন্ধের সরকারী নির্দেশনা মানা হচ্ছেনা। 
বন আর বনজ সম্পদ রক্ষায় সুন্দরবনের জোংড়া, মরাপশুর, নন্দবালা, করমজল ও ঝাপসি প্রধান খাল গুলোতে সকল প্রকার মৎস্য ও কাঁকড়া আহরণ ও পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। 
কিন্তু ওইসব খালে বন বিভাগের সহায়তায় মাছ আর কাঁকড়া আহরণের অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশ না করা সত্যেও চিলা ইউনিয়নের একজন বাসিন্দা জানান, গেল ১ সেপ্টেম্বর পূর্ব সুন্দরবনের চাদপাই ষ্টেশন থেকে কাঁকড়া আহরণের বিএলসির মাধ্যমে পাশ-পারমিট (অনুমতি) নেন  জিয়ারুল সর্দ্দার, মতিয়ার শেখ, এনামুল সর্দার। 
ওই দিন রাতেই তিনটি নৌকা নিয়ে আরো তিন সহযোগী রাসেল, মিরাজুল ও আইলেসহ বনের নিষিদ্ধ খালে প্রবেশ করে তারা। বনের নিষিদ্ধখাল জোংড়া ও মরাপশুর এলাকায় কাঁকড়া আহরণ করার সময় মরাপশুর ক্যাম্প ইনচার্জ মনির হোসেন তাদের সবাইকে রাতে আটক করে। পরে দফারফার মাধ্যমে ছাড়া পেয়ে সোমবার (০৯ সেপ্টেম্বর) চিলা এলাকায় কাঁকড়া বিক্রি করে তারা। 
নিষিদ্ধ খালে কিভাবে কাঁকড়া আহরণ করে এমন প্রশ্নের জবাবে সুন্দরবনের চাদপাই রেঞ্জের মরাপশুর ক্যাম্প ইনচার্জ মনির খান জানান, বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে তারা বনের অনুমোদিত এলাকায় কাঁকড়া আহরণ করেছে। শুধু মাত্র মরাপশুর নদী দিয়ে তারা (কাঁকড়া আহরণকারীরা) তাদের গন্তব্যে চলে যায়। 
তবে নিষিদ্ধ খালে কাঁকড়া আহরণের কথা অস্বীকার করে ওই বন কর্মকর্তা বলেন, টহলরত অবস্থায় কাঁকড়া আহরণকারীদের তল্লাশি করা হয়েছে কাঁকড়া ছাড়া অন্য কিছু পরিবহন করছে কিনা। 
এর আগে রবিবার বরফ বোঝাই একটি নৌকা ও লোকসহ আটক করে মরা পশুর ক্যাম্প ইনচার্জ। কিন্তু লোক ছেড়ে দিয়ে শুধু নৌকা আটক দেখানো হয়েছে এমন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও বন বিভাগের চাদঁপাই ষ্টেশন থেকে কাঁকড়া পাশ (অনুমোদন) নেয়া জিয়ারুলের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। 
এর আগে কয়েক দফায় বন বিভাগের কর্মীরা তার কাঁকড়া আটক করে সিআর (মামলা) দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়টি না জানার অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যান চাদপাই রেঞ্জের ষ্টেশন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। তবে সংবাদ না করার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop