আন্তর্জাতিক সময়ফের আটকে গেল জনসনের আগাম নির্বাচনের উদ্যোগ

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের আগাম নির্বাচনের উদ্যোগ আবারও আটকে দিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট। টানা দ্বিতীয়বারের মতো পার্লামেন্টে আয়োজিত এ ভোটাভুটিতে হেরে গেছেন ক্ষমতাসীনরা। চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে, সদ্য পাস হওয়া বিল সরকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলেই কেবল লেবার পার্টি নির্বাচনে যাবে বলে জানিয়েছেন বিরোধী নেতা জেরেমি করবিন।
অন্যদিকে আগাম নির্বাচনের প্রশ্নে ভোটাভুটিতে হেরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ব্রেক্সিট পেছাতে পার্লামেন্ট যে পদক্ষেপই গ্রহণ করুক না কেন, কোনো অবস্থাতেই আর ইইউ ত্যাগে বিলম্ব করবেন না তিনি। একইসঙ্গে আগামী পাঁচ সপ্তাহের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে পার্লামেন্ট স্থগিতেরও ঘোষণা দেয় সরকার।
যতই দিন গড়াচ্ছে ব্রেক্সিট নিয়ে অনিশ্চয়তা ততই বাড়ছে। সবশেষ সোমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আগাম নির্বাচনের প্রশ্নে আয়োজিত ভোটাভুটিতে সরকারের হার সেই অনিশ্চয়তাকে যেন বাড়িয়ে দিল আরও কয়েকগুণ। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের আগাম নির্বাচন দেয়ার পক্ষে ভোট পড়ে ২৯৩টি। যা ৬৫০ আসনের হাউস অব কমন্সে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে প্রয়োজনীয় ভোটের চেয়ে অনেক কম।
একইসঙ্গে এদিন ব্রেক্সিট বিষয়ক সরকারি সব নথি পার্লামেন্টের সামনে উপস্থাপন প্রশ্নে আয়োজিত অপর এক ভোটাভুটিতেও হেরে যায় ক্ষমতাসীনরা। ফলে ব্রেক্সিট ইস্যুতে একরকম কোণঠাসা কনজারভেটিভরা। পরে পার্লামেন্টে দেয়া এক বক্তব্যে বরিস জনসন বলেন, নির্ধারিত সময়ে ব্রেক্সিট ঠেকাতে পার্লামেন্ট যে পদক্ষেপই গ্রহণ করুক না কেন, কোনো অবস্থাতেই আর ব্রেক্সিট পেছানোর প্রস্তাব নিয়ে ইইউর দ্বারস্থ হবেন না তিনি।
জনসন বলেন, সরকার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিকল্প চুক্তির জন্য ইইউকে চাপ দিয়ে যাবে। একইসঙ্গে চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের জন্যও আমাদের প্রস্তুতি থাকবে এবং এ প্রস্তুতির মধ্যেই আগামী ১৭ অক্টোবর আমি ব্রাসেলসের ইইউ সম্মেলনে যোগ দেব। ব্রেক্সিট ঠেকাতে এ পার্লামেন্ট যতভাবেই আমার হাত বেঁধে রাখার চেষ্টা করুক না কেন, আমি জনগণের স্বার্থে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ইইউ ছাড়ার চুক্তির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাব। আমি আবারও পরিষ্কার করে বলতে চাই, এ সরকার আর কখনোই ব্রেক্সিট পেছাবে না।
অন্যদিকে, বিরোধী নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে বিল পাসের মধ্য দিয়ে এটা পরিষ্কার হয়েছে যে, এ পার্লামেন্ট চুক্তিহীন ব্রেক্সিটকে সমর্থন করে না। এর পক্ষে কোনো জনসমর্থন নেই উল্লেখ করে, প্রধানমন্ত্রীকে হাউস অব কমন্সের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি বলেন, চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে পার্লামেন্টে যে বিল পাস হলো, তা বাস্তবায়নে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, বা আদৌ নেবে কিনা-সে বিষয়ে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীকে জবাব দিতে হবে। তাকে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। কিন্তু গেল কয়েকদিন ধরে তিনি যেসব বক্তব্য দিচ্ছেন তা এ বিলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি একের পর এক বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে গণতন্ত্রকে অবজ্ঞা করছেন। ইইউর সঙ্গে সমঝোতায় না গিয়ে সময়ক্ষেপণ করছেন।
এদিকে দিন শেষে আগামী পাঁচ সপ্তাহের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে পার্লামেন্ট স্থগিতের ঘোষণা দেন হাউসজ অব কমন্স স্পিকার জন বার্কো। এ সময় তিনি বলেন, রাণির আদেশ অনুযায়ী পার্লামেন্ট স্থগিতের ঘোষণা দেয়া হলেও বহু আইনপ্রণেতা একে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি নিজেও বিব্রত বলে জানান। আগামী ১৪ অক্টোবর আবারও পার্লামেন্টে ফিরবেন আইনপ্রণেতারা।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop