মহানগর সময়সিডিএ আতঙ্কে চট্টগ্রামের ভবন মালিকরা

সময় সংবাদ

fb tw
চট্টগ্রাম নগরীকে বাসযোগ্য করতে ইমারত নির্মাণ আইনে কঠোর অবস্থানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ। এরইমধ্যে ৪ ভবন মালিককে কারাগারে ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আর ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কর্তৃপক্ষ। ১৬টি মামলা নিষ্পিত্তি করে জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৪০ লাখের মতো।
এদিকে, হঠাৎ করে সিডিএয়ের এমন সিদ্ধান্তে আতঙ্কে ঘরছাড়া ভবন মালিকরা। এ হয়রানি থেকে রেহায় পেতে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
চট্টগ্রাম নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমির দক্ষিণে অনুমোদন না নেয়ায় নির্মাণাধীন এ ভবনের মালিক সৈয়দ জিয়াদ রহমানের বিরুদ্ধে সিডিএ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।
সিডিএ বলছে, শুধু এটি নয়, তার থাকার তিন তলার বাড়িটিও অনুমোদন নেয়া হয়নি। যদিও ওই ভবনটির ছবি তুলতে গেলে বাধা দেয় তারা। পরে অবশ্য কথা বলে নির্মাণাধীন ভবনটি তাদের নয় বলে দাবি করেন জিয়াদের ভাগ্নে।
জিয়াদ রহমানের ভাগ্নে হাদিব রহমান বলেন, ইমারত একটা হচ্ছে তবে সেটা আমাদের নয় এবং ওই জায়গাও আমাদের না।  
চট্টগ্রাম নগর ও বাইরে মিলিয়ে অনুমোদন না নেয়া ভবনের চারপাশে পর্যাপ্ত জায়গা না রাখা ও অতিরিক্ত তলা বাড়ানোসহ নানা অপরাধে ইমারত নির্মাণ আইনে ৪ ভবন মালিককে কারাগারে ও ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে সিডিএ। যার অধিকাংশ হয়েছে নগরীর বাকলিয়া কল্পলোক আবাসিকে। এতে মামলা আর শাস্তির ভয়ে আতঙ্কিত ভবন মালিকরা।
ভবন মালিকরা বলেন, আমরা অবশ্যই অন্যায় করেছি, তবে বিল্ডিং কোর্ড অনুসারে ৭৫% মেনেছি, আমাদের অনেকের নামে মামলা ও জেল দেয়া হয়েছে যার কারণে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।
সিডিএ বলছে, ভবন নির্মাণে অরাজকতা পরিস্থিতি দূর করা ও আইন মানতে বাধ্য করাই তাদের লক্ষ্য। সিডিএয়ের অথরাইজড কর্মকর্তা জোন-১ এর প্রকৌশলী মনজুর হাসান বলেন, ৩২টা মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও অবৈধভাবে যারা ভবন নির্মাণ করছে তাদেরও নোটিশ করার কার্যক্রম অব্যাহত আছে। একের পর এক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।    
সিডিএ অথরাইজড কর্মকর্তা-জোন ২ প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামিম বলেন, আমরা জনগণকে একটাই ম্যাসেজ দিতে চাই, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা  মানা না হলে সেটা আমরা আর গ্রহণ করবো না।  
এদিকে, ইমারত নির্মাণবিধি সঠিকভাবে তদারকি করতে সংশ্লিষ্ট ৩ সংস্থাকে চিঠি দিয়েছে স্পেশাল মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট সাইফুল আলম চৌধুরী। বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি এ ধরনের নকশা বহির্ভূত কাজ করে ইমারত নির্মাণ কমিটি তাদের একটা নোটিশ দিতে হবে। শুনানি করার পর আবার একটা ফাইনাল নির্দেশ দিবে, হয়ত ভেঙে ফেলার জন্য। আর যদি ভালো থাকে নির্মাণ করার জন্য,যদি তা মানা না হয়, সেক্ষত্রে  ইমারত নির্মাণ আইনানুযায়ী সেটা অপরাধ হয়ে গেছে। তখন সেটা মামলা করা হয়।    
ইমারত নির্মাণ আইনে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও  সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ যে কোনো পরিমাণ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
 
 

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
ভাইরাল
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
Latest News
এক্সক্লুসিভ লাইভ
আপনিও লিখুন
ছবি ভিডিও টিভি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop