আন্তর্জাতিক সময়আইআরজিসি, হিজবুল্লাহ ও হামাসের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

সময় সংবাদ

fb tw
somoy
ইরানের বিপ্লবী গার্ড, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং গাজা নিয়ন্ত্রণকারী হামাসের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার তেহরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগনীতি অব্যাহত রাখারও ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
এরমধ্যেই, ইরানবিরোধী আগ্রাসনের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হিজবুল্লাহ। এদিকে, তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয় বলে জানিয়েছে রাশিয়া।
ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার দেশটির বিপ্লবী গার্ডের কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।
তেহরানের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ফিলিস্তিনের হামাসের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী জানান, ইরানের বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগে কোনো আপোষ করবে না যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভ মুচিন বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আমি সম্পূর্ণভাবে একমত। তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন এককভাবে সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। আমাদের নিষেধাজ্ঞা খুব ভালোভাবে কাজও করছে। তবে প্রেসিডেন্ট বলেছেন, চলমান সমস্যা সমাধানে তিনি শর্তহীনভাবে ইরানের সঙ্গে বৈঠক করতে চান।
ইরানের সঙ্গে আলোচনা চাইলে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘে ইরানি রাষ্ট্রদূত মাজিদ তাখতে রাভনচি।
জাতিসংঘে ইরানি রাষ্ট্রদূত মাজিদ তাখতে রাভানচি বলেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ছাড়া ইরান আলোচনায় বসবে না। বরাবরই এ ঘোষণা দিয়ে আসছে তেহরান। আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট। ওয়াশিংটনও এটি ভালো করে জানে যে আমরা চাপ মেনে নেবো না এবং তেহরান নতিস্বীকার করবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী কর্মকাণ্ডের কঠোর জবাব দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হিজবুল্লাহও। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হলে- ইসরাইল রাষ্ট্রের ধ্বংস এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের পতন ঘটবে বলেও সতর্ক করেন দলটির প্রধান।
হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসারাল্লাহ বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হলে হিজবুল্লাহ নিরপেক্ষ থাকবে না। তেহরানবিরোধী সবধরনের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করছি আমরা। কারণ এমন যুদ্ধে আশপাশের কয়েকটি দেশ মারাত্মভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে ইহুদিবাদী ও যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যেরও পতন হবে।
এদিকে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সেন্ট্রিফিউজ স্থাপনের ঘোষণার পরই ইরান সফর করেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রধান। ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরমাণু কার্যক্রম নিয়ে বাস্তব সম্মত আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কর্নেল ফেরুতা বলেন, ইরান, ইউরেনিয়াম উৎপাদনে অত্যাধুনিক আইআর-ফোর এবং আইআর-সিক্স সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করেছে। যা দেশটির ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণকে যেকোনো সময়ে চেয়ে বেগবান করবে। তেহরান ইতোমধ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ৩ দশমিক ছয় সাত থেকে সাড়ে চারে উন্নীত করেছে। আমাদের কাজ বাস্তবতা তুলে ধরা, বিচার করা নয়।
এরমধ্যেই, ইরানের পরমাণু গবেষণা ও উন্নয়ন হুমকি নয় বলে জানিয়েছে রাশিয়া। এক বিবৃতিতে ইরানের চুক্তির অংশীদার মস্কো জানায়, তেহরানের সবধরনে কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার কঠোর নজরদারিতেই হচ্ছে।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop