বাংলার সময়খরচ বেড়েছে পিরোজপুরের ভাসমান সবজি চাষের

সময় সংবাদ

fb tw
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ও বেশি জমিতে শত বছর ধরে ভাসমান পদ্ধতিতে সবজির চারা উৎপাদন হয় পিরোজপুরের নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলায়। তবে দিন দিন উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগের মতো লাভের মুখ দেখছেন না কৃষকেরা। তাদের অভিযোগ, সম্ভাবনাময় এ কৃষিক্ষেত্রে সরকারি কোনো সহযোগিতাও পাচ্ছেন না তারা। কৃষি বিভাগ বলছে, চাষিদের স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার বিষয়টি ভেবে দেখা হচ্ছে।
ভৌগোলিকভাবেই পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দেউলবাড়ী-দোবড়া, কলারদোয়ানিয়া ও মালিখালী এবং নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা সারা বছর ৫-৮ ফুট পানিতে তলিয়ে থাকে। ফলে কোনো প্রকার চাষাবাদ করা সম্ভব হয় না। এসব বিলাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে কচুরিপনা ও জলজ উদ্ভিদ জন্মে। এ কচুরিপনা দিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে এখানকার চাষিরা তৈরি করেন ভাসমান বেড যা স্থানীয়ভাবে ধাপ নামে পরিচিত। এগুলো স্বাভাবিকভাবেই পানির উপর ভেসে থাকে। তাই পানির স্তর বৃদ্ধি পেলেও কৃষকদের কোনো ক্ষতি হয় না। এ ধাপের উপর অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ দিয়ে তারা উৎপাদন করেন সব ধরনের সবজির চারা।
শত বছরের বেশি সময় ধরে ভাসমান পদ্ধতিতে উৎপাদন হচ্ছে সবজির চারা। এ এলাকায় উৎপাদিত চারা দেশের বিভিন্ন স্হানের চাহিদা পূরণ করে। আর এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান হয়েছে বিলাঞ্চলের কয়েক হাজার চাষির।
চাষিরা জানান, এখানে ধান হয় না। হাজার হাজার মানুষ এখানে কাজ করে। ভাসমান শাক সবজির চাষ করে আমরা খুবই ভালো আছি। 
এ চাষাবাদে পুরুষদের পাশাপাশি অবদান রাখছেন নারীরাও।
কর্মরত এক কৃষাণী বলেন, কাজ ভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকা পারিশ্রমিক পাওয়া যায় প্রতিদিন।
আগে কচুরিপনাসহ বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদগুলো স্থানীয় জলাশয় থেকে বিনা পয়সায় সংগ্রহ করে তা চারা উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করতেন চাষিরা। তবে চাহিদা বাড়ায়ে এখন উচ্চ মূল্য দিয়ে সেগুলো কিনতে হচ্ছে। পাশাপাশি জমি লিজ নেয়ার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হচ্ছে চাষিদের। আর কোনো সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও এনজিওর কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভও কম হচ্ছে।
স্থানীয় চাষিরা বলেন, জমির খরচ বেশি। কৃষকের খরচও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে তাদের খরচ অনেক বেড়ে গেছে।
এ চাষাবাদ পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে কৃষি বিভাগ বলছে, চাষিদের স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার বিষয়টি ভেবে দেখা হচ্ছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হেনা মো. জাফর বলেন, কৃষকদের স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার বিষয়টি পর্যালোচনায় রয়েছে।
এ পেশায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত কমপক্ষে ১৫ হাজার চাষি।

আরও সংবাদ

বাংলার সময়
বাণিজ্য সময়
বিনোদনের সময়
খেলার সময়
আন্তর্জাতিক সময়
মহানগর সময়
অন্যান্য সময়
তথ্য প্রযুক্তির সময়
রাশিফল
লাইফস্টাইল
ভ্রমণ
প্রবাসে সময়
সাক্ষাৎকার
মুক্তকথা
বাণিজ্য মেলা
রসুই ঘর
বিশ্বকাপ গ্যালারি
বইমেলা
উত্তাল মার্চ
সিটি নির্বাচন
শেয়ার বাজার
জাতীয় বাজেট
বিপিএল
শিক্ষা সময়
ভোটের হাওয়া
স্বাস্থ্য
ধর্ম
চাকরি
পশ্চিমবঙ্গ
ফুটবল বিশ্বকাপ
সংবাদ প্রতিনিধি
বিশ্বকাপ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
GoTop